
আলামীন রংপুর : সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) লালমনিরহাট জেলার ৩৪ আনসার ব্যাটালিয়নের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে কেক কাটার মাধ্যমে আয়োজিত দরবার, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান পালন হয়। ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুুষ্ঠানটি আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ মহোদয় ভার্চুয়ালে উদ্বোধন করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কার্যক্রম পরিচালনা করেন রংপুর আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর রেঞ্জের রেঞ্জ উপমহাপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল বিভিএম, পিভিএমএস তার বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যদের আরও সক্রিয়, দায়িত্বশীল ও পেশাদার ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, দেশসেবার আদর্শকে সমুন্নত রেখে ব্যাক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। বাহিনীর ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার পাশাপাশি জনগণের কল্যাণে সমাজ উন্নয়নে আনসার সদস্যদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। রেঞ্জ উপমহাপরিচালক আরও বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন, মাদকবিরোধী কার্যক্রম, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ রোধসহ অপরাধ দমনে ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য। একই সঙ্গে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আনসার সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি নিয়মিত শরীরচর্চা, ব্যায়াম, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, আনসার ও ভিডিপি রংপুর রেঞ্জের পরিচালক মো. শফিকুল আলম, রংপুর জেলা কমান্ড্যান্ট রাশেদুল ইসলাম ও লালমনিরহাট জেলা কমান্ড্যান্ট মো. সাখাওয়াত হোসেন। এছাড়াও সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ৩৪ আনসার ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন পদবীর সদস্যদের উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্যাটালিয়নের পরিচালক মো. কামারুজ্জামান। দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাদ ফজর দোয়া মাহফিল, জাতীয় ও বিভাগীয় পতাকা উত্তোলন, সদস্যদের দরবার, প্রীতিভোজ, ভলিবলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
