সুন্দরবনে অবৈধভাবে কাঁকড়া আহরণ করা আটল পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ১ বছর আগে

সিরাজুল ইসলাম শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধ:

পূর্ব সুন্দরবনের কোকিলমনি ফরেষ্ট টহল ফাঁড়ির বনে সোমবার দুপুরে বিপুল পরিমাণ কাকড়া ধরার নিষিদ্ধ চারু জব্দ করেছেন বনরক্ষীরা। জব্দ করা চারু (চাঁই) আগুনে পোড়ানো হয়েছে।

বনবিভাগ সূত্র, সোমবার সকালে কোকিলমোনি ফরেষ্ট টহল ফাঁড়ির বনরক্ষীরা নিয়মিত টহল কালে পশুর নদীর কাছে বনের মধ্যে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ কাকড়া ধরার চারু জব্দ করেন। কাকড়ার প্রজনন মৌসুম গত দুই মাস যাবৎ সুন্দরবনে কাকড়া ধরা নিষিদ্ধ রয়েছে। আইন না মেনে কতিপয় জেলে গোপনে সুন্দরবনের খালে বাশের তৈরী চারু দিয়ে কাকড়া শিকার করে আসছিলো।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারী অবৈধভাবে কাকড়া ধরার অপরাধে কোকিলমোনি ফরেষ্ট টহল ফাঁড়ির বনরক্ষীরা দুইজন জেলেকে আটক করে বাগেরহাট আদালতে চালান দেয়।পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কোকিলমনি ফরেষ্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্টার নজরুল ইসলাম শামিম মোবাইল ফোনে বলেন, কোকিলমোনি বনাঞ্চল থেকে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ কাকড়া ধরার চারু সোমবার দুপুরে কোকিলমোনি ফরেস্ট টহল ফাড়ির অফিস চত্বরে আগুনে পুড়িয়ে ধংস করে ফেলা হয়েছে ।

এ ব্যাপারে পূর্ব ও পশ্চিম বনবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা কাজী নজরুল করিম এই প্রতিবাদেরকে জানান ,সুন্দরবনে আটকল দিয়ে কাঁকড়া আহরণ করা সরকারিভাবে নিষিদ্ধ সে কারণে সুন্দরবনে জেলেদের নৌকায় কাঁকড়া আহরণ করা অটল পাওয়ায় তাহাজ্জব্দ করে পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং এই অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ষ্টেশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ‌‌,। তাছাড়া প্রতিটা কাকড়া ও মাছ ধরা নৌকায় সুন্দরবনের ভিতরে অথবা সুন্দরবনের প্রবেশের সময় তল্লাশি করা হচ্ছে কেহ হরিণ শিকারের ফাঁদ বরসি নিয়ে যাচ্ছে কিনা সে যেন কড়া নজরদারি করা হচ্ছে সুন্দরবনের সব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বন বিভাগ সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।