
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে গণপিটুনির শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় যুবক মারা গেছে। তার নাম বাবু গাজী। বসত ঘরে প্রবেশ করে মা’র সামনে তাকে পিটানো হয়েছে। ঘর থেকে টেনে হেঁচড়ে তুলে নিয়ে পথে পথে পেটানো হয়। তারপর বেঁধে রাখা হয় গাছে সাথে। বেদম পিটুনির ফলে বাবু জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে রেফার করা হয়। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পরে একটি প্রাইভেট হাসাপাতলে তিনি গত বুধবার বিকালে মারা যান।
বৃহস্পতিবার চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে তাকে বাড়ির কবরস্থানে দাফন করা হয়।
উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিন ইউনিয়নের চররাঘবরায় গ্রামের গাজী বাড়িতে পিটুনির ঘটনা ঘটেছে ১৩ নভেম্বর রাতে।
সরজমিন নিহত বাবুর মা শাহিদা (৫৫), বোন পাখি (৩৫) অভিযোগ করেছেন, ঘটনার সময় অশেপাশের বাড়ির বেশ কিছু সংখ্যক লোক রাত আনুমানিক সাড়ে আট ঘটিকায় বোন পাখির বাড়িতে জমিজমা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ঝগড়া বিবাদ বাধে।
সেখানে বাবুকে বেদম মারা হয়। মার খেয়ে বাবু নিজ বসত ঘরে আশ্রয় নেয়। সেখানে লোকজন দল বেঁধে ছুটে গিয়ে বসত ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে বাবুকে পেটায়। ওই সময় বাবুর মা ও বোন বাধা দিলে তাদেরকও মারা হয়।
ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহ আলম বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। তাকে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করার পর পুলিশ উদ্ধার করে হাসাপাতালে প্রেরণ করেছিল। চাঁদপুরে বাবুর ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। মামলা দায়েরের বিষয় প্রক্রিয়াধীন।
