
পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কন্ঠ নামক সংগঠন লংগদু উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ লংগদু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।
গত বুধবার বিকালে লংগদু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কন্ঠ লংগদু উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ উপজেলার আওতায় ৫টি প্রকল্পের দাবি জানিয়ে নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগিতা চেয়ে উক্ত স্মারক লিপি প্রদান করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন লংগদু উপজেলা শাখার পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কন্ঠ সংগঠন এর আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ মাহমুদ ও ইমাম হোসেন আরাফাত ।
স্মারক লিপিতে তারা সামাজিক দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে লিখিত আকারে বলেন, আমরা পাহাড়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির কন্ঠ এর পক্ষ হইতে আবেদন করিতেছি যে, উপজেলায় পাহাড়ী বাঙ্গালী মিলে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার লোকের বসবাস কিন্তু রাঙ্গামাটি জেলা সদর থেকে লংগদু উপজেলা প্রায় ৭০ কি.মি. দূরে অবস্থিত। জেলা সদর থেকে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নদীপথ এবং এলাকাটি পার্বত্য ও দুর্গম এলাকা হওয়ায় উন্নয়নের দিক হইতে পিছিয়ে আছে দীর্ঘদিন যাবৎ নদী পথে রোগী নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে অনেকটা দূর্ভোগের স্বীকার হতে হয়।
রাঙ্গামাটি জেলা সদরের সাথে সড়ক পথে যাতায়াতের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই এতে করে কোনো রোগী অসুস্থ হলে কিংবা গর্ভবর্তী মায়ের জেলা সদরে নিয়ে যেতে পথেই দুর্ঘটনা ঘটে। ফলে পাহাড়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির কন্ঠ এর পক্ষ হইতে উদ্যোক্তা হিসাবে নিম্নোক্ত প্রকল্পগুলো অনুমোদনের জন্য সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।
এছাড়াও অন্যান্য ৪ টি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছেন। লংগদু উপজেলা হইতে নানিয়ারচর-লংগদু সংযোগ রাস্তাটির সংযোগের জন্য বিভিন্ন স্থানে মাটি কাটা ও মাটি ভরাট, লংগদু উপজেলা হইতে বাঘাইছড়ি উপজেলা সদরের সাথে সড়ক যোগযোগ ব্যবস্থার জন্য মাইনীমুখ ফরেস্ট গেইট হইতে কালাপাগুজ্জাঘাট পর্যন্ত ড্রেজিং এর মাটি ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ, মাইনীমুখ লঞ্চ ঘাট হইতে ৩ টি ইউনিয়নের সাথে সড়ক পথে যোগাযোগের জন্য ব্রিজ নির্মাণ, লংগদু উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা করা সহ মাইনীমুখ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে মাইনীমুখ মডেল হাই স্কুলের পিছনে পরিত্যাক্ত ঘোনা ভরাটকৃত জায়গায় খেলার মাঠ হিসাবে অনুমোদন সহ এ ব্যাপারে উপরোক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করে স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনটি।
