
নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলায় লাহারকান্দির আতর আলী মিঝি বাড়িতে এমন দূর্ঘটনা ঘটে। সদর উপজেলার ১৫ নং লাহারকান্দি ইউনিয়নে ৩ নং ওয়ার্ডের আতর আলী মিঝি বাড়িতে এমন ঘটনা উঠে আসে ভাতিজা ঘর করতে গেলে বাধা দেয় আপন দুই চাচা ও তিন চাচাতো ভাইয়েরা।
বুধবার (৭ জুন) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে এমন দূর্ঘটনার শিকার হন ভুক্তভোগী মো. রাসেল। ভুক্তভোগী রাসেল বলেন, আমার আপন দুই চাচা ও তিন চাচাতো ভাইয়েরা মিলে মাথায় ও মুখে আঘাত করেন। আমার নিজের সীমানার মধ্যে ঘর করতে গেলে আব্দুল জলিল ও খলিলুর রহমান দই চাচা আমার কাছ থেকে ১লাখ টাকা করে দুই জনে দুই লাখ টাকা দাবি করেন। তার সাথে যুক্ত হয় আমার আপন ৩ চাচাতো ভাই। আপন ২ চাচা ও ৩ চাচাতো ভাই মিলে ঘুষিয়ে আমার মাথায় ও মুখে এবং অন্যান্য জায়গায় শরীরে আঘাত করেন।
৯৯৯ কল করলে পুলিশ আসে। পুলিশ এসে তাদের কাউকে পাইনি। পুলিশ বাড়িতে প্রবেশ করার পূর্বে তারা পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে রাসেলকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কর্তবরত চিকিৎসক জানান, রাসেলের চিকিৎসা চলমান অবস্থা আছে। তার চিকিৎসা চলছে। আমরা আশাকরি সে খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবে।
অন্য দিকে মো. রাসেলের আপন চাচা আব্দুল জলিল বলেন, আমি ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলাম না। আমি আমার ভাতিজা থেকে কোনো টাকা কিন বা চাঁদা চাইনি। যখন ঘটনা ঘটে তখন আমি তোরাবগঞ্জ ছিলাম। তিনি আরো বলেন, যখন ঘটনা ঘটে তখন দোকানের সামনে ঘটেছে পুরো এলাকার মানুষ ছিলো। আমি আমার ভাতিজা থেকে এমন কিছুই চাই নাই।
লক্ষ্মীপুর সদরের ১৫নং লাহারকান্দি ইউনিয়নের ৩নং ইউপি সদস্য মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এমন ঘটনা আমি শুনিনি। এই প্রথম আপনার কাজ থেকে শুনেছি। আমাকে কেউ জানায়নি এবং আমার কাছে কেউ আসেনি। কেউ যদি বলতো তাহলে আমি শুনতাম।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমার কাছে এখনো আসেনি। বিষয়টি আমার কাছে আসলে আমি তার ব্যবস্তা নিবো।
