মাদক অপহরণ মানব পাচারকারীদের কে বিতারিত করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ৩ years ago

মোহাম্মদ ইউনুছ অভি, টেকনাফ :

অপহরণ, মাদক, মানব পাচারকারী নাফ নদীতে মাছ শিকারের সুযোগ করে দেওয়া ও শাহ পরীর দ্বীপ করিডোর খুলে দিয়ে স্হানীয়দের জীবিকা নির্বাহে সহায়তা করতে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ বিকাল ৩ঘঠিকার সময়।

*এ সময় বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশননের প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক এস এন কায়সার জুয়েল বলেন, মাদক অপহরণ মানব প্রচারকারীদের হুশিয়ার করে দিতে চাই, ডাকাতদের হাতে আজ আমরা জিম্মি। একের পর এক অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের মত নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা ঘটে যাচ্ছে । যার কারণে আজ আমাদের নিজের কর্মস্থল ও সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাওয়া আসার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিশেষ করে পাহাড়ের পাদদেশ এলাকায় এই সব ঘটনা বেশি ঘটতেছে।

  • এ সময় হাজী মুস্তফা আহমদ বলেন,
    রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে স্থানীয়রা কি পরিমাণ কষ্টৈ আছে তার মাথা ব‍্যাথা নেই ,অপহরণ খুন ঘুম এসব তারা দেখেনা।কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি! মাদক,খুন,অপহরণ যেন নিত্যনৈমিত্তিক ! এভাবে অব্যাহত থাকলে কক্সবাজারের প্রতি মানুষের ঘৃণা ও ভয় চলে আসবে!

*এ সময় বক্তব্য শাহ আলম বলেন,
রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন করা না হলে আগামীর উখিয়া-টেকনাফ তথা গোটা কক্সবাজার জেলা হবে এক লোমহর্ষক ও ভয়ংকর নগরী! রাস্ট্র চিন্তাবিদ, স্বদেশপ্রেমী জনগণ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগন এ ব্যাপারে দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে আমাদের ও আমাদের আগামী প্রজন্মের কপালে অনেক দু:খ আছে!

  • আমান উল্লাহ আমান বলেন, অপহরণ, মানবপাচার, নারী নির্য়াতন, যৌতুক,বাল্য বিবাহ,মাদক,ইভটিজিং , চুরি-ডাকাতি,খুন-রাহাজানি ইত্যাদি সামাজিক অপরাধমূলক কোন কর্মকান্ড ঘটেছে কিনা বা এধরণের কোন অপরাধমূলক ঘটনা ঘটার কোন আশংকা আছে। এমন সংবাদ আপনার নিকট জানা থাকলে স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করে এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা আমাদের মৌলিক অধিকার।

*প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সালাম বলেন, মাদক, মানবপাচার, রোহিঙ্গাদের অবাধে বিচরণ, অবৈধ যানবাহন চলাচল, ভাড়া বাসায় রোহিঙ্গাদের বসবাস, ভাড়া বাসা মালিকদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা, রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে কাঁটাতারের ভিতর বাহিরে না আসা, রোহিঙ্গাদের পণ্যসমূহ বাজারে বিক্রির না করা, টেকনাফ পৌর শহরের প্রধান সড়কে যত্রতত্র স্থানে যানবাহন বাস ও পরিবহন গাড়িসমূহ অবস্থান না করা, টেকনাফকে রোহিঙ্গাদের বসবাস মুক্তসহ উপজেলায় বিভিন্ন অবৈধ কর্মকান্ড আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্ট হয়। সকল অপরাধ কর্মকাণ্ড বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করার আহ্বান জানান।

মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি কে এম নুর মোহাম্মদ বলেন,টেকনাফ একটি শান্তিপূর্ণ এলাকা ছিল। এখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের বসবাস। তার মধ্যে আমাদের এই টেকনাফে দিনমজুর,জেলে এবং কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে ৯০% মানুষ। সম্প্রীতি আমাদের এই টেকনাফের কিছু কিছু এলাকায় অপরাধের দৌরাত্ম অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে । বিশেষ করে কিছু এলাকার স্থানীয় দুষ্টপ্রকৃতি লোকের যোগসাজশে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ডাকাতদের কারণে এলাকার শান্তিপ্রিয় সাধারণ জনগণ আজ অসহায়। সত্যিকার অর্থে, ডাকাতদের হাতে আজ আমরা জিম্মি। একের পর একের অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের মত নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা ঘটে যাচ্ছে । যার কারণে আজ আমাদের নিজের কর্মস্থল ও সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাওয়া আসার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিশেষ করে পাহাড়ের পাদদেশ এলাকায় এই সব ঘটনা বেশি ঘটতেছে। ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা তৎপর। কিন্তু, আমি লক্ষ্য করছি সঠিক সংবাদ না পেয়ে মাঝে মধ্যে দূর্গম পাড়ি দিয়ে অভিযান পরিচালনা করা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীরও বেগ পেতে হচ্ছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, মানবাধিকার কমিশনের সিঃ সহ-সভাপতি হাবিবুল হক (সাকি) সহ-সভাপতি আবুল কাসেম,ওমন ফারুক রিয়াদ,নুরুল কবির, সহ-প্রচার সম্পাদক তাজুল ইসলাম তাজ, মোঃ আদিল, আরকান ছিদ্দিকী, আজিজুর রহমান, ইলিয়াজ, সাংবাদিক ইউনুস অভি,আবদুর রহমান ইবনে আমিন আবদুল মাবুদ, আনোয়ার, প্রমূখ।