
রাকিব হোসেন মিলন।
লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশে নতুনত্ব ও আধুনিক মান সম্মত সেবার মানকে তরান্বিত করার পেছনে যিনি অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রতিনিয়ত দক্ষতার স্বাক্ষর রাখছেন তিনি লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের কর্ণধার ও অভিভাবক জনাব মোঃ মাহফুজ্জামান আশরাফ। লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ পেয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা ও পরিচিতি অনুষ্ঠানে আপনার সুন্দর, নিরহংকারী ও মার্জিত বক্তব্যে আমরা বিমোহিত হয়েছি।আপনি সুশৃঙ্খল পরিবারের যোগ্য সন্তান। বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার স্বপ্ন করতে আপনি বদ্ধ পরিকর।ঐ সংবাদ সম্মেলনে অনেক সিনিয়র সাংবাদিক কে কাঁদতে দেখেছি আপনার বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে।আপনার বাবা যে কতোটা সুশৃঙ্খল জীবন গঠন ও মানবিকতার প্রশিক্ষণ আপনাকে দিয়েছিলেন ঐ সংবাদ সম্মেলনে না গেলে বুঝতে পারতাম না।আপনি ৩ মাস সময় চেয়েছিলেন কাজের অগ্রগতি দেখানোর জন্য।কিন্তু ইতিমধ্যে লক্ষ্মীপুর জেলা বাসী আপনার কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।দক্ষতা, তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্বা, মননশীল বিচার বিচক্ষণতা, সমসাময়িক ও যুগোপযোগী সিদ্ধান্তে যে নতুন রুপরেখা তৈরি করেছেন তা আজ দৃশ্যমান আমাদের লক্ষ্মীপুরে। জনতার পুলিশকে জনকল্যানে কাজ করার জন্য আপনার পরিকল্পনার সুফলে পুলিশ জনতা, এক সুতায়, এক আঁটিতে মিলে মিশে একাকার হওয়ার কৃতিত্ব কেবল আপনারই যা ইতিমধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে।
পুলিশের আধুনিক পুলিশিং, পুলিশ ই জনতা,জনতাই পুলিশ এই স্লোগান বাস্তবায়নের আপ্রান চেষ্টা, মানসম্মত সেবা প্রদান, নিরহংকারী ভাবে মানুষের পাশে অবস্থান,মজবুত ও টেকসই সেবার আহবান,হয়রানী বন্ধকরনের সার্বিক প্রচেষ্টা গুলো লক্ষ্মীপুর বাসী প্রত্যক্ষ করছে আপন জায়গা থেকে।আপনার সার্বিক পরিশ্রম ও আন্তরিকতা মানুষ আজীবন মনে রাখবে অন্তরের অন্তস্থল থেকে। একজন মুচি বলতে পারবে পুলিশ সুপার মহোদয়ের সাথে হাত মেলানোর কি তৃপ্তি। যানজটে আটকে প্রিয় মানুষকে হারিয়ে ফেলা ব্যক্তিটি বলতে পারে যানযটবিহীন লক্ষ্মীপুর শহর কতটা স্বস্তির। শখের বাইকটি হারিয়ে যাওয়ার পর, পূনরায় ফিরে পাওয়া ব্যক্তিটি বলতে পারে লক্ষ্মীপুরের এ জনপদ কতটা নিরাপদ।
পুলিশের সেবাকে জটিল নয় সহজ করে, পুলিশের কাছে ভিকটিম নয়, ভিকটিমের কাছে পুলিশ তথা পুলিশ সুপার, এ মূলমন্ত্রে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ যে নান্দনিকতার নজির সৃষ্টি করেছেন তা অকল্পনীয়। আজ স্কুল কলেজের সামনে বখাটের আড্ডা নেই, অসহায় পরিবার আজ প্রতিবেশীর নির্যাতনে সংকিত নয়। এ অবদান, এ পরিবর্তন কেবলই আপনার দূরদর্শী নেতৃত্বের মোঃ মাহফুজ্জামান আশরাফ। তবে আজ বলতে বাধা নেই,
যদি আলিঙ্গনে মিলে সুখ, মিলে তৃপ্তি,
বাধা বিপত্তি ডিঙিয়ে আপনি নিয়ে এসেছেন এ জনপদে স্বস্তি।
আপনার সামগ্রিক তৎপরতায় আমরা পাশে আছি। ইতিবাচক সকল কাজে সর্বদা অগ্রগামী হয়ে লক্ষ্মীপুরের মানুষের মনে এভাবেই আস্থার সাথে কাজ করে যাবেন বলে বিশ্বাস করি।আপনার জন্য সাম্প্রতিক কর্মকান্ডে অনেক শুভকামনা।
