
টেকনাফ প্রতিনিধি
কক্সবাজারের টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন,
৩নং ওয়ার্ড,কাটাবনিয়া এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসহায় নুর আয়েশা ছিদ্দিকার বাড়িতে সন্ত্রাসীদের হামলায় ব্যাপক ভাংচুর বসত-বাড়ি,প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি।তার স্বামী মোঃ ইলিয়াস কে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে,সাবরাং ইউনিয়নের কাটাবনিয়া এলাকার বাসিন্দা যুবলীগ নেতা আব্দুর রহিম লক্কুর গংদের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে অসহায় নুর আয়েশা ছিদ্দিকা বাদী হয়ে ৬ জন কে আসামি করে টেকনাফ মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন,সাবরাং ইউনিয়ন, কাটাবনিয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম লক্কু (৫০), পিতা-মৃত রহমত আলী,৩ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক (৩২) পিতা-জালাল আহম্মদ,
মোহাম্মদ কাসেম (৫৫), পিতা- কালা মিয়া, শোয়াইব(১৫),পিতা- ছাত্রলীগ নেতা উসমান হত্যা মামলার আসামি খুনী কেফায়েত উল্লাহ,
ফজল হক(৫৭),পিতা মৃত রহমত আলী,
ওসমান (১৭) পিতা- ফজল হকসহ কয়েকজন কে অজ্ঞাত নামা করে আসামি করে তাদের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অসহায় নুর আয়েশা সিদ্দিকা বলেন,১০ ফেব্রুয়ারি,আমার স্বামী মোঃ ইলিয়াস একটি ট্রাক ভাড়া করে বাড়ি-নির্মাণ কাজের জন্য বালি নিয়ে বাড়িতে আসার সময় ট্রাক চালক ট্রাকটিকে ভুলক্রমে স্থানীয় আমার বাড়ির পাশের মসজিদের রাস্তায় ডুকিয়ে দেয়,রাস্তার কিছু অংশ ইট ভেঙে যাওয়ায় ১ নং বিবাদী সাবরাংয়ের যুবলীগ নেতা আব্দুর রহিম লক্কু আমার স্বামী কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে,এবং কিল ঘুষি মারতে থাকে। আমার স্বামীর সাথে ১নং বিবাদী আব্দুর রহিম লক্কুর সাথে একপর্যায়ে জগড়ার সৃষ্টি হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন রাত আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় যুবলীগ নেতা আব্দুর রহিম লক্কুর গংরা লোহার রড,কুড়াল,ধারালো কিরিচ,লাঠি-সোটা ইত্যাদি নিয়ে বেআইনি ভাবে আমার বসত-বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে ঘেরা-বেড়া,টিন,ঘরের দরজা ইত্যাদি ভাংচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ক্ষয়ক্ষতি করেছে।
আমি প্রতিবাদ করলে আব্দুর রহিম লক্কুর গংরা আমাকে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা-ফোলা জখম করে।আমি তাদের মারপিট সহ্য করতে না পেরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল করলে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ তাৎক্ষণিক আসলে আসামিরা পালিয়ে যায়।
আসামিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় আমার পরিবারের লোকজনদের কে হত্যা করবে বলে ভয়ভীতি,হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী অসহায় নুর আয়েশা ছিদ্দিকার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন,
তিনি টেকনাফ মডেল থানার প্রসাশনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে সাবরাং ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কবির আহমদ এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আমি ঘটনার বিষয়ে অবগত আছি,উভয় পক্ষকে ইউনিয়ন পরিষদের ডেকে এনে বিচার সালিশের মাধ্যমে সমাধান করে দেবো।
