
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের দৈলবাড়ীর প্রবাসী হানিফ মিয়া ও প্রবাসী বাবুল হোসেনের স্ত্রী রিয়া আক্তার এবং রানু বেগম, প্রবাসীর ছোট ছেলে জাবেদ সহ পরিবারের সকলকে প্রতিনিয়ত হুমকি ধামকি দিয়ে থাকেন একই বাড়ির সাদ্দাম (৩৫),নজরুল ইসলাম (৩০), শেখ ফরিদ (২৫) পিতাঃ মৃত মমতাজ উদ্দিন।
অভিযোগ পাওয়া যায়, তাদের জমি নিয়ে মামলা চলমান কিন্তু আদালতে মামলা অমান্য করে হুমকি দাতা সাদ্দাম,নজরুল ইসলাম, শেখ ফরিদ নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে প্রবাসীর জমি জবরদখল করার চেষ্টা করলে ভুক্তভোগী ৯৯৯ ফোন করলে পুলিশ আসলে হুমকি দাতারা পালিয়ে যান।
প্রবাসীর স্ত্রী রানু বেগম বলেন, আমার স্বামীর ৩২১ দাগে ১৫ শতাংশ যায়গা ঘরবাড়ি করে বসবাস করি,আর ৩২৩ দাগে ১৫ শতাংশ জমি ভিটা বিএস খতিয়ান আমাদের নামে হয়েছে সঠিক ভাবে বিএস খতিয়ান নং ২৭৬।
৩২৩ দাগ আমাদের দখলে রয়েছে কিন্তু কিছু করতে গেলে বিভিন্ন সময়ে এই সন্ত্রাসী সাদ্দাম, নজরুল ইসলাম, শেখ ফরিদ পিতা মমতাজ উদ্দিন বাদা সৃষ্টি করেন এবং আমাদেরকে জানের হুমকি দিয়ে থাকেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় কয়েকবার শালিসি দরবার হয়।
সাদ্দাম নজরুল শেখ ফরিদ তারা তিন ভাই মিলে আমাদেরকে প্রতিনিয়ত হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন, বর্তমানে তাদের কাছ থেকে আমার পরিবারের কেউ নিরাপদ নয়। আমার ছোট ছেলে আশরাফপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কম্পিউটার ম্যান হিসেবে কাজ করেন।বাড়িতে আসার সময় পথে মধ্যে হুমকি ধামকি দিয়ে থাকেন।
প্রবাসীর পুত্রবধু রিয়া আক্তার জানান,আমার স্বামী বাবুল হোসেন এবং শশুর দুই জন ওমান প্রবাসী, তাই আমাদের কোন পুরুষ মানুষ না থাকায় সাদ্দাম নজরুল শেখ ফরিদ বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার নির্যাতন করে থাকেন।
এখন আমার পরিবারের সবাই সব সময় আতংকে দিন কাটে।
ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মোঃ আবুল হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এই ঘটনা সত্যি এবং আমি সহ থানায় কয়েকবার শালিসি দরবার করেছিলাম,কিন্তু সাদ্দাম নজরুল শেখ ফরিদ তারা পরবর্তীতে এলাকায় আসলে আবার জামেলা শুরু করেন। প্রবাসী হানিফের স্ত্রী আমার কাছে কয়েকবার নালিশ করেছেন। শুক্রবার ২১ মার্চ জমি দখলের চেষ্টা করলে ভুক্তভোগী রানু বেগম ৯৯৯ ফোন করলে পুলিশ আসলে সাথে সাথে, সাদ্দাম নজরুল শেখ ফরিদ তারা পালিয়ে যান।
টামটা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
ফারুক দর্জি সাথে ফোন করে পাওয়া যায়নি।
এলাকার কিছু মানুষের সাথে কথা হলে জানা যায়, সাদ্দাম নজরুল শেখ ফরিদ একটু সন্ত্রাসী ধরনের মানুষ তাদের ভয়ে এলাকার কেউ কথা বলতে পারেনা।
অভিযোক্ত,সাদ্দাম হোসেন কে ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি।
সর্বশেষ ভুক্তভোগী রানু বেগম তার পরিবার নিয়ে হুমকির মুখে আছেন। তাই তিনি বলেন আমি মাননীয় প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।
