সততা ও দক্ষতার সাথে জনগণের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন চরমোহনা ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিক পাঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ৩ years ago

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক :

একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে একজন শিক্ষিত মানুষের বিকল্প নেই। দেশের প্রতিটি সেক্টরে সমৃদ্ধি যেমন বাড়ছে, তেমনি জনগনের জীবন-যাত্রার মান্নোয়ন হচ্ছে। তবে এখনো আমরা কিছু কিছু নৈতিবাচক কাজের কারনে পিছিয়ে আছি। যার ফলে সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জনমনে সৃষ্টি হচ্ছে অশান্তি। উন্নয়ন সমৃদ্ধ একটি স্বর্নিভর বাংলাদেশ দেখতে চাইলে, একটি সুন্দর সমাজ বির্নিমানের জন্য সবাইকে মাদক সহ অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ভুমিকা পালন করতে হবে। প্রয়োজনে জনমত তৈরী করে সামাজিক আন্দোলন জোরদার করতে হবে। নৈতিবাচক এসব কাজের ব্যাপারে বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থী বর্তমান প্রজন্মকে সচেতন করে তুলতে হবে।

এরই ধারাবাহিতায় লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চরমোহনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষাবান্ধব, মানবপ্রিয়, দায়িত্বশীল ব্যক্তি, জননেতা মো. শফিক পাঠান। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে জনগণের সেবা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের আর্তমানবতার সেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সাধারণ জনগণের কাছে ব্যাপক সুনাম অর্জন করে যাচ্ছেন।

আমার চোখে দেখা ইউনিয়ন পরিষদে কয়েকজন ভুক্তভোগী জ‌মি ও বিভিন্ন সমস্যা নি‌য়ে বি‌রোধ সমাধানের জন্য আসে। তারা দীর্ঘ‌দিন পর্যন্ত বি‌ভিন্ন মানু‌ষের সহ‌যো‌গিতা চে‌য়ে ব্যর্থ হ‌য়ে সমস্যার কোন সমাধান পান‌নি। তাৎক্ষণিক তাদের অভিযোগ গুলো শুনে সকলের উপস্থিতিতে দীর্ঘদিনের জ‌মি ও বিভিন্ন ধরনের সমস্যা গুলো অতি সহজেই সমাধান করে দিলেন চরমোহনা ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য দক্ষ, দায়িত্বশীল, মানবিক ও জনবান্ধব চেয়ারম্যান মো. শফিক পাঠান। তিনি ইউনিয়ন বাসীর একজন সেবক হয়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

আসলেই সৎ-সাহস ও সদিচ্ছা থাকলে একদিন কঠিন কাজেও সফলতা অর্জন করা সম্ভব। সাম্প্রতিক সময়ে তার কর্মকান্ডে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। যে বিভিন্ন ভালো মানবিক কাজ করার কারণে সাধারণ জনগণ কাছে আস্থা ও নির্ভরতার প্রতিক হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তার বিচক্ষণতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজের মত করে ঢেলে সাজিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদকে। উদ্যোগ নিয়েছেন একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়ন গড়ে তোলার। তার সততা ও কর্মদক্ষতায় বদলে যাচ্ছে সেবামূলক কার্যক্রম ও সার্বিক চিত্র। কমে যাচ্ছে জনভোগান্তী, আর বৃদ্ধি পাচ্ছে জনসেবার মান। তিনি প্রতিটি উন্নয়নের কাজকে বাস্তবায়ন করতে বদ্ধ পরিকর। একটি উন্নত আধুনিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি প্রতিটি ক্ষেত্রে স্ব-শরীরে গিয়ে সকল প্রকার উন্নয়নকে জনবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করে যাচ্ছেন। এই ইউনিয়ন পরিষদে সবার জন্য উম্মুক্ত দ্বার হিসেবে পরিণত করেছেন।

তিনি কথা বলেন সব শ্রেনির মানুষের সাথে এবং শোনেন তাদের দুঃখ কষ্টের কথা। নিয়মিত খোঁজ খবর নেন সমাজের অবহেলিত উন্নয়ন বঞ্চিত মানুষের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সকল উন্নয়ন সেবা নিজ তত্ববাবধানে মানসম্মত করেতে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

ইউনিয়ন পরিষদে আসা কয়েকজন ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা জানান, বর্তমান চরমোহনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একজন অনেক ভালো মন-মানসিকতার মানুষ। তার ভিতর নেই কোন অহংকার, নেই কোন স্বজনপ্রীতি। আমাদের দুই পক্ষের মাঝে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিলো। অনেকদিনের এই সমস্যা গুলো অবশেষে চেয়ারম্যান মো. শফিক পাঠান সমাধান করে দিয়েছেন। তিনি অসহায় এবং গরীব মানুষের প্রকৃত বন্ধু। তিনি সাধারণ মানুষের কষ্ট বুঝে এবং বিবেক দিয়ে চিন্তা করেন। অন্যায় এবং অসৎ বক্তিদের কখনো প্রশ্রয় দেন না। যার কারণে তিনি সাধারন মানুষের কাছে অতি প্রিয়। এক কথায় তিনি একজন সততা ও কর্মদক্ষতার প্রতিক। তিনি একজন সৎ ও পরিশ্রমী শিক্ষাবান্ধব মানুষ। যে কারনে তিনি স্বল্প সময়ে সকল মানুষের মাঝে হয়ে উঠেছেন এক অসাধারণ গল্পের মানুষ।

এসময় চরমোহনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিক পাঠান এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, জনগনকে সেবা দেওয়াই আমার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। আমি চেষ্টা করবো আমাকে যে দায়িত্বটুকু দেওয়া হয়েছে তা সঠিক ভাবে পালন করতে।

তিনি আরও বলেন, আমরা জনপ্রতিনিধিরা সকলেই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করি তাহলে অবশ্যই সরকারের সকল কাজই জনগণের কল্যানে আসবে বলে জানান তিনি।

এসময় সকল ইউপি সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।