
মো. তৌফিকুল হক :
তরুণ প্রজন্মের অহংকার রায়পুরা পূর্বাঞ্চলের জনপ্রিয় মুখ আপাদমস্তক বঙ্গবন্ধু আদর্শের একজন সৈনিক তৃণ মূল থেকে উঠে আসা ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে যার যাত্রা শুরু মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান।
ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হসপিটাল্যাটি এন্ড টুরিজম ম্যানেজমেন্ট এ গ্রাজুয়েট শেষ করেন রিয়াদ আহমেদ সরকার।
দাদা তায়েব উদ্দিন সরকার ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের একজন ঘনিষ্ঠ সহচর। ১৯৪৮ সালে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠালগ্নে তৎকালীন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহকুমার সহ- সভাপতি ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন আগরতলা দুর্গাচৌধুরী পাড়ার একাধিক হোল্ডিং ক্যাম্পের সভাপতি ছিলেন। দাদি মৃত শফিউননেছা বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মজিবের ঘনিষ্ট সহচর ছিলেন। আগরতলা দুর্গাচৌধুরী পাড়া ক্যাম্পের মুক্তিযুদ্ধকালীন দক্ষতার সহিত দায়িত্ব পালন করেন। ৮ সন্তানের জনক মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা তায়েব উদ্দীন আহাম্মেদ দেশমাতৃকার টানে, দেশকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে ৭ সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ডাকে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন।
বড় চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত জিয়া উদ্দিন আহাম্মেদ (এফএফ) নরসিংদী জেলা রায়পুরা উপজেলার মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার ছিলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশ্ব বরেণ্য চিত্রশিল্পী শাহাব উদ্দিন আহাম্মেদ (এফএফ) রায়ের বাজার লালবাগ এলাকায় প্লাটুন কমান্ডার ছিলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহাম্মেদ (এফএফ) বর্তমানে ফ্রান্স আওয়ামীলীগের প্রধান উপদেষ্টা। বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত মহি উদ্দিন আহাম্মেদ (এফএফ) বর্তমান রিয়াদ আহম্মেদ সরকারের পিতা। বীর মুক্তিযোদ্ধা কফিল উদ্দিন আহাম্মেদ (এফএফ)। বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত হাফিজ উদ্দিন আহাম্মেদ (এফএফ)। বীর মুক্তিযোদ্ধা মুসলে উদ্দিন আহাম্মেদ খোকা (এফএফ)। আলাউদ্দিন আহাম্মেদ, বর্তমান কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ উপ কমিটির সদস্য।
উক্ত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান রিয়াদ আহমেদ সরকার। রিয়াদ আহম্মেদ সরকার ২০০৬ সালের ৩০শে মার্চ সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচীতে হাতে ও পিঠে পুলিশের বুলেটের আঘাতের শিকার হন। ২০০৭ সালে ০১ এগারো সরকারের সময় নেতৃ কারাবদ্ধ হলে নরসিংদী জেলা টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশনের সকল নেতৃবৃন্দকে নিয়ে গোপনে সভা করে টেক্সটাইল শ্রমিকদের দিয়ে রাজপথ অবরোধ করেন এবং অনির্দিষ্ট কালের জন্য কারখানা বন্ধ করে দেয়।
উক্ত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান রিয়াদ আহম্মেদ সরকার, বর্তমান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ উপ-কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রায়পুরা উপজেলা আওয়ামীলীগ রাজনীতির তরুণ প্রজন্মের অহংকার।
বর্তমানে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষে রায়পুরার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি একজন সমাজসেবক ও দানশীল সংগঠক, বিভিন্ন স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিজের সাধ্য অনুযায়ী দান করে যাচ্ছেন।
বর্তমানে তিনি দৌলতকান্দী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এর সভাপতি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা তায়েব উদ্দিন আহম্মেদ আলগী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য দায়িত্বে আছেন এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দাতা সদস্য হিসেবে দায়িত্বে আছেন।
রিয়াদ আহম্মেদ সরকার গত ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর, মহেষপুর, রাধানগর ও হাইরমারা সহ বিভিন্ন ইউনিয়নে ৫ হাজার গরীব ও অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন।
রিয়াদ আহম্মেদ সরকার এর হিসেবে গড়ে তুলতে চান ৷
সাথে সাক্ষাৎ করে জানা যায়, তিনি সুযোগ পেলে বৃহওর রায়পুরা উপজেলাকে একটি আধুনিক উপশহর গড়ে তুলতে চান।
