সাতক্ষীরায় নবাগত পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল: আইন-শৃঙ্খলার নতুন রেকর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ৬ মাস আগে

দুষ্কৃতী দমন, নিরাপত্তা নিশ্চিত ও জনগণের সেবায় ২৪ ঘণ্টা ফোন খোলা রাখার অঙ্গীকার

সাতক্ষীরা সংবাদ: শ্যামনগর থেকে সদ্য বদলি হয়ে আসা সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার (পিপিএম) আরেফিন জুয়েল যোগদানের পর জেলার আইন-শৃঙ্খলা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি লাভ করেছে বলে মনে করছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ ও বিশেষজ্ঞরা।

জেলার ৭টি উপজেলা ও ৩টি পৌরসভায় গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর দুষ্কৃতী মহল চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক পাচার, সুন্দরবনে দস্যুতা ও বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে নবাগত পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল দ্রুত কার্যক্রম শুরু করেছেন।

তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “দুষ্টের দমন আর সৃষ্টির পালন—এই নীতি মেনে পুলিশকে জনগণের সেবা করতে হবে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের একমাত্র অঙ্গীকার।” তিনি ২২ লক্ষ মানুষের প্রতি সমান দৃষ্টিভঙ্গি রাখছেন, কোনো রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা সামাজিক প্রভাবকে প্রাধান্য দিচ্ছেন না।

পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন জেলার সমস্ত থানার অফিসার ইনচার্জদের—কোনো অপরাধী যেন ছাড় না পায়, এবং কোনো ভালো মানুষ যেন পুলিশের হাতে হয়রানির শিকার না হয়।

নির্বাচনের বিষয়ে তিনি জানিয়েছেন, “পুলিশ সকল দলের জন্য সমানভাবে দায়িত্ব পালন করবে। সাতক্ষীরায় একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে।” ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করে ত্রুটিপূর্ণ স্থানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলার অভিজ্ঞ মহল ও সাধারণ মানুষ জানাচ্ছেন, পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল ২৪ ঘণ্টা ফোন খোলা রেখে জনগণের অভিযোগ দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছেন। তিনি সরকারি ও ব্যক্তিগত মোবাইলে ফোন করলে, ব্যস্ত থাকলেও ফিরে কল করে সমস্যা সমাধান করেন।

উপকূলীয় সুন্দরবনের বনজীবীরা বিশেষভাবে দাবি জানিয়েছেন, বনদস্যু, হরিণ শিকার ও বিষ দিয়ে মাছ শিকার বন্ধে পুলিশ সুপারের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান।সাতক্ষীরা জেলার অর্থনীতি, বিশেষ করে চিংড়ি ও কাঁকড়া চাষ, এবং উপকূলীয় জনগণের জীবন-জীবিকা সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল। জেলার নিরাপত্তা ও বনজীবীর সুরক্ষার জন্য পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েলকে স্থানীয়রা ইতিমধ্যেই একজন সৎ, কর্মদক্ষ এবং জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।