
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার বলেন, নাগরিক সেবা প্রদান ও গ্রহণের জন্য জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আবশ্যক। সকলের নিবন্ধন সম্পন্ন হলে তাৎক্ষণিক যে কোনো সেবা প্রদান সহজ হবে। এজন্য সাধারণ মানুষকে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে উৎসাহিত করতে হবে। পাশাপাশি ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সচিবদের সচেতন হতে হবে। শিশু জন্মের পরপরই জন্ম নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে।
মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, রাষ্ট্রে দ্রুত নাগরিক সেবা প্রদান এবং গ্রহণের জন্য জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন অবশ্যই করা প্রয়োজন। এছাড়া সাধারণ মানুষকে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে সংশ্লিস্ট জনপ্রতিনিধিসহ সকলকে সহজীকরণ পদ্ধতিতে কাজ করার আহবানও জানান তিনি।
এতে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন – সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রমুখ।
ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায় জন্ম-মৃত্যু পর্যালোচনা করে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে চার জনকে। ইউনিয়ন পর্যায় ৩ জনকে ও পৌর সভা পর্যায় ১ জনকে।
