
লক্ষ্মীপুর জেলায় বিনম্র শ্রদ্ধায় ভাষা শহীদদের স্মরণ করা হয়েছে। শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নেমেছে।
শুক্রবার সকালে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর নেতৃত্বে শহীদ মিনারে আসেন জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতাকর্মীরা।
তারা এসে শহীদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন এ্যানী বলেন, আজকের এই দিনটি জাতির কাছে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। মাতৃভাষার জন্য সালাম, বরকত জব্বারসহ যারা জীবন দিয়েছেন। তাদেরকে জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।
তিনি আরও বলেন, ভাষার জন্য যে লড়াই হয়েছে। এই লড়াইয়ের ধারাবাহিকতায় স্বাধিকার আন্দোলন, স্বাধীনতার আন্দোলন হয়েছিল। সেই স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সরাসরি রনাঙ্গনে থেকে যুদ্ধ করেছেন, লড়াই করেছেন, সংগ্রাম করেছেন, মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
এ্যানী চৌধুরী আরও বলেন, তখন যদি এই দেশ স্বাধীন না হতো, তাহলে আজকে স্বাধীন বাংলাদেশে স্বাভাবিক জীবন-যাপন ও চলাফেরা, দায়-দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হতো না।
এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাসিবুর রহমান, জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিউকিটর আহমেদ ফেরদৌস মানিক, জেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ রশিদুল হাসান লিংকন, স্বেছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসিন কবির স্বপন, সাধারন সম্পাদক হারুনুর রশিদসহ অনেকেই। এরপর একে একে বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পুষ্পার্ঘ অপর্ণ করেন।
এর আগে একুশে ফেব্রয়ারির প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১মিনিটে লক্ষ্মীপুর জেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক রাজিব কুমার সরকারের নেতৃত্বে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ প্রশাসন শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এছাড়াও দিনব্যাপী নানা আয়োজনে দিবসটি পালন করা হয়েছে।
সকাল থেকে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তালন, জেলার বিভিন্ন স্কুল কলেজে মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা, কালো ব্যাজ ধারণ, র্যালি, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে জেলার ৫টি উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করছে সর্বস্তরের জনগণ।
