লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের এমপি একেএম শাহাজান কামালের ইন্তেকালে ভবানীগঞ্জ আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ৩ years ago

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক :

লক্ষ্মীপুর জেলার প্রবীণ রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম শাহজাহান কামাল (৭৪) এমপি আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোর রাত ৩ টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন।

এমপি শাহজাহান কামালের ছোট ভাই ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য ড. এএসএম মাকসুদ কামাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বার্ধক্যজনিত রোগে আমার বড় ভাই শাহজাহান কামাল মারা গিয়াছেন।

বেলা ১১ টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রথম ও লক্ষ্মীপুর জেলার আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিকাল বাদ আছর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রবীণ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান কামালের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ভবানীগঞ্জের ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাইফুল হাসান রনি, ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শিপন, ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুব লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আহসান উল্লাহসহ অনেকে।

ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভির সমবেদনা জানান।

শাহজাহান কামাল প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-১১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ ও ১৮ সালের তিনি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এমধ্যে ২০১৮ সালে প্রায় এক বছর তিনি বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান কামাল লক্ষ্মীপুর পৌরসভার আটিয়াতলি এলাকার ফরিদ আহমেদ ও মাছুমা খাতুন দম্পতির বড় ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও ৩ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।

দলীয় সূত্র জানায়, শাহজাহান কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ১৯৬৬ সালের ৬ দফা ও ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।

১৯৭২ সালে লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৮৫ সালে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালে তিনি লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।