
নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরে কোরআনের হাফেজ হওয়া ১০ শিক্ষার্থীকে পাগড়ি পরিয়ে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। এ সময় হাফেজদের বাবাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার দক্ষিণ মজুপুর এলাকায় তা’লীমুল উম্মাহ ইসলামী একাডেমির মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। কোরআনে হাফেজ হওয়ার স্বীকৃতি পেয়ে শিক্ষার্থীদের চোখে-মুখে ছিল আনন্দের ঝিলিক।
এ উপলক্ষে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ‘দস্তারবন্দী সম্মেলন ও ইসলামী মাহফিল’-এর আয়োজন করে। এতে তা’লীমুল উম্মাহ ইসলামী একাডেমির পরিচালক এইচ. এম. লোকমান মাজহারীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বটতলী জামিয়া আশরাফুল মাদারিসের মুহতামিম মুফতী মামুনুর রশীদ।
মাদরাসার শিক্ষক শাহাদাত হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন রামগতি রওযাতুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসার পরিচালক মাওলানা কামাল উদ্দিন তাহেরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বটতলী জামিয়া আশরাফুল মাদারিসের মুহাদ্দিস মাওলানা সোলায়মান ও সাবেক মুহাদ্দিস মাওলানা মাহবুবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ লক্ষ্মীপুর পৌর শাখার সেক্রেটারি মাওলানা জাহিদ হোসাইন, জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সেক্রেটারি জামাল কবির, আবরার ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোরশেদ আলম অমিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
বক্তারা বলেন, কোরআন মানবতার মুক্তির সনদ। পথহারা মানুষকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য আল্লাহ তায়ালা কোরআন নাজিল করেছেন। বর্তমান অস্থির বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে কোরআনের শিক্ষায় ফিরে যেতে হবে।
তাঁরা আরও বলেন, কোরআনের হাফেজরা সমাজের আলোর দিশারি। তাঁদের মাধ্যমে মানুষ কোরআন শিক্ষা ও চর্চায় উদ্বুদ্ধ হবে।
