লক্ষ্মীপুরে ‘শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশ’ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ৯ মাস আগে

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরে ‘শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশ (ইসিসিডি)’ বিষয়ক জেলা পর্যায়ের এক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘সমাজভিত্তিক সমন্বিত শিশুযত্ন কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ ও সুরক্ষা এবং সাঁতার সুবিধা প্রদান (আইসিবিসি)’ প্রকল্প ও বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্ক (বিইএন)।

ওরিয়েন্টেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সম্রাট খীসা, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবু হাসান শাহীন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাজ্জাদ এবং অধ্যক্ষ (অব.) প্রফেসর মো. মাইন উদ্দিন পাঠান। জেলা ইসিসিডি কমিটির সদস্যরাও এতে অংশ নেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. কাউছার আহমেদ। তিনি ওরিয়েন্টেশনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং আইসিবিসি প্রকল্পের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্কের প্রতিনিধি মো. শহিদুল্লাহ শরিফ শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশের গুরুত্ব, ২০১৩ সালের জাতীয় ইসিসিডি নীতিমালা এবং জাতীয় ও জেলা পর্যায়ের ইসিসিডি কমিটির ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এছাড়া পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের কার্যক্রম সমন্বয়কারী মিনহাজ হাসান সুজন আইসিবিসি প্রকল্পের অগ্রগতি ও মাঠপর্যায়ের কাজ সম্পর্কে জানান। 

তিনি বলেন, “লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় ১৭৫টি, কমলনগরে ১৬২টি এবং রামগতি উপজেলায় ১৬৩টি শিশুযত্ন কেন্দ্রের মাধ্যমে ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য যত্ন ও বিকাশমূলক কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে ৬ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের নিরাপদ সাঁতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা পানিতে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত থাকে।”

সমাপনী বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সম্রাট খীসা বলেন, “প্রারম্ভিক শৈশবকাল—ভ্রূণাবস্থা থেকে আট বছর পর্যন্ত—মানব জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে শিশুর শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিবিকাশের ভিত্তি গড়ে ওঠে। তাই প্রত্যেকের দায়িত্ব শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশ নিশ্চিত করা।”