বরিশালে কৃষক/কৃষাণী প্রশিক্ষণ ও কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ১ বছর আগে

বরিশাল প্রতিনিধি : কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বরিশাল মেট্টোপলিটন এলাকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বন্যা সহিষ্ণু আমন ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে নগরীর খামারবাড়িতে প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। সোমবার সকাল ১১টায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বরিশাল সদরের আয়োজনে উপ-পরিচালকের সম্মেলন কক্ষ খামার বাড়িতে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে খরিপ-১ মৌসুমে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারল এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশীপ এন্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) এর আওতায় দিনব্যাপী কৃষক জিএপি সার্টিফিকেশন বিষয়ক কৃষক/কৃষাণী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। প্রশিক্ষণে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) উপ-পরিচালক মোসাম্মৎ মরিয়ম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ শরিফ উদ্দীন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুসিকান্ত হাজং, ডিএইর অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) রেজাউল হাসান, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মুসা ইবনে সাঈদ, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) শহিদুল ইসলাম, বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকবাল হাসান, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার শেখ হাবিবুর রহমান, মেট্টোপলিটন কৃষি অফিসার জয়ন্তি এদবর, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন আগে দক্ষিণাঞ্চলে বর্ষায় কিংবা জোয়ারের পানিতে ধানগাছ ১০ থেকে ১২ দিন ডুবে থাকলে ফসল হতো না। তবে বন্যা সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনের পর এই সমস্যা আর নেই। তাই এ ধরনের জাত কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিলে বরিশাল অঞ্চলে ধানের উৎপাদন বাড়বে।  মেট্টোপলিটন কৃষি অফিসার বলেন তার উপজেলায় ২০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষির প্রত্যেককে ৫ কেজি হারে ব্রি ধান-৫১ এবং ব্রি ধান-৫২’র বীজ এবং রাসায়নিক সার হিসেবে ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি বিনামুল্যে বিতরণ করা হচ্ছে।