নোয়াখালী জেলার হাতিয়া পুলিশ ক্যাম্প ও আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা ভাংচুর লুট, গ্রেফতার -৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ৩ years ago

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার টাংকিরঘাট পুলিশ ক্যাম্প, আওয়ামী লীগ অফিসসহ স্থানীয় কয়েকটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় দেশীয় অস্ত্রসহ ছয়জনকে আটক করেন পুলিশ।

শনিবার ভোর সাড়ে চার টার দিকে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার আবদুর রব ব্যাপারীর নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

অবরুদ্ধ হলেন, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত লুৎফুর রহমানের ছেলে মো. জাবেদ (২৯), ৫ নম্বর ওয়ার্ডের টেকাছিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে মো. জহির (২৬), নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার হরনী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের টাংকি সমাজের মোজাম্মেল হকের ছেলে মো. স্বপন (২৮), একই এলাকার মুজাফফরের ছেলে মো. নাছির (৪৮), নুর আলমের ছেলে আবদুল করিম (৪০) এবং হরনী ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাহার উদ্দিনের ছেলে মাহফুজুর রহমান (৩৭)।

নোয়াখালী-৬ হাতিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, ভোর সাড়ে চার টার দিকে রামগতির সন্ত্রাসী আবদুর রব ব্যাপারীর নেতৃত্বে পঞ্চাশ থেকে ষাট জন ডাকাত টাংকির ঘাটে হামলা চালায়। তারা পুলিশ ক্যাম্প, আওয়ামী লীগ অফিসে গুলিবর্ষণসহ ভাঙচুর করেন। এছাড়া কয়েকটি বাড়িতেও হামলা চালায়। এর আগেও তারা বেশ কয়েকবার হামলা চালিয়েছিল। এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিসান আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জেলা পুলিশ, র০্যাব-১১ (সিপিসি-৩) ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় তিনটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এরআগে দুই জেলা নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার সীমানা বিরোধের জেরে গত ১১ মে লক্ষ্মীপুরের রামগতি সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সাইফুল আলম চৌধুরী ও রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেনকে টাংকির ঘাট এলাকায় পুলিশ ক্যাম্পে পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে নোয়াখালী সদর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করার ঘটনাও ঘটে ।