দামুর চাকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি — কর্তৃপক্ষের প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ৮ মাস আগে

নিজস্ব প্রতিবেদন : রংপুরের পীরগাছা উপজেলার দামুর চাকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও লাইব্রেরিয়ানের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে যেসব অভিযোগ প্রচার হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা বলেন, প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খন্দকার ফখরুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ে প্রশংসাপত্র বা নম্বরপত্র প্রদানে কখনোই অর্থ নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তিনি বলেন,

“আমাদের স্কুলে সব নথিপত্র নিয়ম মেনে সরবরাহ করা হয়। কোনো শিক্ষার্থীকে হয়রানি করা হয়নি। একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মহল ভুল তথ্য ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।”

লাইব্রেরিয়ান এমদাদুল হক মিলন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তিনি কোনো শিক্ষার্থীর সার্টিফিকেট আটকে রাখেননি এবং কারও কাছ থেকে অর্থ দাবি করেননি। তিনি বলেন,

“আমি সবসময় শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করে থাকি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মনগড়া ও অসত্য।”

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্য জানান, দামুর চাকলা উচ্চ বিদ্যালয় বহু বছর ধরে এলাকায় একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। এখানে শিক্ষার্থীদের ফলাফলের মান, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক শৃঙ্খলা সবসময়ই প্রশংসিত। হঠাৎ করে এ ধরনের অভিযোগ ওঠায় তারা বিস্ময় প্রকাশ করেন।

স্থানীয় বেশ কয়েকজন অভিভাবকও জানান, তারা বিদ্যালয় থেকে কখনোই কোনো ধরনের আর্থিক দাবির সম্মুখীন হননি। বরং বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সবসময় শিক্ষার্থীদের সমস্যায় পাশে দাঁড়ান।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি জানিয়েছে, ভিত্তিহীন অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তারা অভিভাবক ও স্থানীয়দের অনুরোধ জানিয়েছেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তা স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে সরাসরি জানানোর জন্য।