
ডেস্ক নিউজ : ‘বিতর্কিত’ হিসেবে চিহ্নিত ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।এই তিনটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণে নিযুক্ত কর্মকর্তাদের পরিচয় ও অন্যান্য তথ্য চেয়ে ইসির কাছে অনুরোধ জানায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় ২২ জুন দায়ের হওয়া একটি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে এসব তথ্য চাওয়া হয়। এরপর নির্বাচন কমিশন নির্বাচন সহায়তা শাখা থেকে তথ্য সংগ্রহে উদ্যোগ নেয়।
২০ জুলাই ইসির উপসচিব মো. মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে সংশ্লিষ্ট ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারদের বলা হয়েছে—২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী রিটার্নিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের নাম, পিতামাতা, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, পাসপোর্ট নম্বর ও মোবাইল নম্বর ভোটকেন্দ্র অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে পাঠাতে হবে।
উল্লেখ্য, সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে সাধারণত জেলা প্রশাসক ও ইউএনওরা দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে যুক্ত থাকেন।
এর আগে, গত ২০ ফেব্রুয়ারি এই তিন নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা ২২ জন ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায় সরকার।
বিএনপি গত ২২ জুন শেরে বাংলা নগর থানায় দায়ের করা এক মামলায় ওই তিন জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ ২৪ জনকে আসামি করে। মামলায় অভিযোগ করা হয়—তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রহসনের নির্বাচন আয়োজন করেছেন। আসামিদের মধ্যে আছেন তৎকালীন তিন সিইসি—কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ (২০১৪), এ কে এম নূরুল হুদা (২০১৮) ও কাজী হাবিবুল আউয়াল (২০২৪)।
মামলার পর কাজী হাবিবুল আউয়াল ও এ কে এম নূরুল হুদাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
