
নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক : চাঁদপুর সদর মডেল থানাধীন আকন ঘাটে অজ্ঞাতনামা মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারের পর তদন্ত চলছে।
গত রোববার (২৫ মে) চাঁদপুর সদর মডেল থানাধীন ২ নং চন্দ্রা ইউনিয়নের আকন ঘাটের দক্ষিণে মেঘনা নদীতে একটি অজ্ঞাতনামা মহিলার মৃতদেহ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে হরিণাঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ দাদন মিয়া সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং মৃতদেহটি উদ্ধার করেন।
স্থানীয় মহিলা মর্জিনা বেগমের সহায়তায় মৃতদেহটি শালীনতা বজায় রেখে উল্টো পাল্টো করে দেখা যায় যে, মৃতদেহের শরীর অর্ধগলিত, উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ২ ইঞ্চি, মাথার পেছনে সামান্য ছোলা জখম রয়েছে। কপাল, মুখমন্ডল, ঠোঁট, নাক অর্ধগলিত, গলায় ওড়না দ্বারা ফাঁস লাগানো, হাত দুটি শরীরের দুই পাশে অর্ধগলিত, বুক, পেট, পিট অর্ধগলিত, পা দুটি সোজাসুজি অর্ধগলিত ছিল।
এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ দাদন মিয়া স্থানীয় মহিলা মর্জিনা বেগমের সহায়তায় মৃতদেহটি শালীনতা বজায় রেখে উল্টো পাল্টো করে দেখেন।
পরবর্তীতে আনুমানিক সোয়া ১২টার সময় উপস্থিত স্থানীয় লোকজন ও স্বাক্ষীদের উপস্থিতিতে মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন। মৃতদেহের মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয় ও ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণের নিমিত্তে ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহটি চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন এবং পিবিআই/সিআইডিকে সংবাদ প্রদান করেন।
পিবিআই চাঁদপুর কর্তৃক মৃতদেহের আঙ্গুলের চামড়া খসে যাওয়ায় প্রিঙ্গার প্রিন্ট নেওয়া সম্ভব হয়নি। ময়না তদন্তের রিপোর্ট প্রাপ্তি সাপেক্ষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব হবে। এই সংক্রান্তে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এই অজ্ঞাতনামা মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনা চাঁদপুর জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট ও পিবিআই/সিআইডির তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব হবে। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী এই ঘটনার তদন্তে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
