গাজীপুর সিটি নির্বাচনে জাহাঙ্গীরের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় নৌকা মার্কার অবস্থান ভালো

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ৩ years ago

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বড় ভাই আব্দুর রহমান সাহেব তাকে আগলে রেখে লেখাপড়া করিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষাজীবন শেষ করান। তিনি লেখাপড়া শেষ করে আইনজীবি হিসেবে কর্মজীবনে পা রাখেন, তখন থেকেই পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রাজনীতি ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে নিজেকে সক্রিয় রেখেছেন।

রাজনৈতিক জীবনঃ আজমত উল্লা খাঁন রাজনীতিতে আসার পর বিভিন্ন প্রতিকুলতার মধ্যদিয়ে রাজনীতি করতে হয়েছে তাকে রাজনীতিতে তার দলের মধ্যে প্রতিদ্ব›িদ্বতা ছিলো অনেক শক্ত। অন্য দলের প্রতিপক্ষ তো আছেই। আজমত উল্লা খাঁন ১৯৬৯ সালে তৎকালীন টঙ্গী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন থেকে যদিও তার রাজনৈতিক জীবন শুরু, কিন্তু ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধের পর, ১৯৭২ সালে ভাওয়াল গড় জেলা ছাত্রলীগের প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন পরিষদ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও “১৯৭৮ সালে শ্রমিকলীগ টঙ্গী আ লিক কমিটির আহŸায়ক এবং সাধারণ সম্পাদক ভাওয়াল গড় ছাত্রলীগ। ১৯৭৯ সাল থেকে ‘১৯৯০ সাল পর্যন্ত এক টানা টঙ্গী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন”। ‘১৯৯১ সালে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯৬ ও ২০০৩ সালে পরপর দুইবার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। ২০০১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবি পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক, ২০১৫ সালে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। উক্ত আজমত উল্লা খাঁন বর্তমানে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আইন ও বিধি উপ-কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে সততার সাথে কাজ করেন আজমত উল্লা খান। আরো অনেক পদে আছেন এবং মানবতার কল্যাণে কাজ করার কারণে গোয়েন্দা রিপোর্ট ও দলীয় নেতাকর্মীদের তথ্যমতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র দলীয় মনোনয়ন নৌকা মার্কা মনোনীত হয়েছেন আজমত উল্লা খাঁন। অনেকেই বলছেন যে, শুধু নৌকা মার্কা পেলেই হবে না, এটা ভোটের লড়াই হবে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে, কে হবেন গাজীপুর সিটি মেয়র? সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম ও আজমত উল্লা খানের ভোটের মূলত লড়াই হবে বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন। গত শনিবার সকাল থেকে গাজীপুর সিটি নির্বাচনী এলাকা কাশিমপুর ৬নং ওয়ার্ডসহ প্রতিটি ওয়ার্ডে গিয়ে প্রচারণা চালাতে দেখা যায় জনাব আলহাজ্ব আজমত উল্লা খাঁনকে।
নৌকা মার্কার প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ্যাডঃ আজমত উল্লা খান সাহেব বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা মার্কা উপহার দিয়েছেন এতে আমি ধন্য, নৌকা মার্কার বিজয়ের লক্ষ্যে আমি সবার সহযোগীতা চাই। আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগসহ আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের সকল নেতা কর্মীর কাছে একটাই দাবি-আপনাদের মার্কা-নৌকা মার্কা, তাই নৌকা মার্কার বিজয়ের লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহŸান জানাচ্ছি। বঙ্গবন্ধুর মার্কা-নৌকা মার্কা, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র মার্কা-নৌকা মার্কা, তাই সবার কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে সকলের প্রতি দোয়া কামনা করছি। গাজীপুর সিটি’র সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে, আমি ৩ বছর মেয়রের দায়িত্ব পালন করে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। আমার সাথে যারা বেঈমানি করেছে আমি তাদের বিচার চাই।