যারা ইসলামকে মাইনাস করে রাজনীতি করতে চাইবে, তারাই মাইনাস হয়ে যাবে : আল্লামা মামুনুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ১২ মাস আগে

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক : বিগত ১৫ বছর ফ্যাসিবাদ শেখ হাসিনার আমলে এদেশের রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে ইসলামকে মাইনাস করতে গিয়ে তিনি নিজেই মাইনাস হয়ে গিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির আল্লামা মামুনুল হক। আগামী  দিনে যারা ইসলামকে মাইনাস করতে চাইবে, তারাই মাইনাস হয়ে যাবে।

গতকাল শনিবার বিকালে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কচুয়া উপজেলা শাখার আয়োজনে কচুয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, শাপলা চত্বরে গণহত্যার বিচার, খেলাফত প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গণজোয়ার সৃষ্টি ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবীতে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনিব এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন, ইসলাম ও স্বাধীনতার দুশমনদের এদেশে রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। খেলাফত ব্যবস্থা ছাড়া বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব নয়। আগামীর  বাংলাদেশ হবে, খেলাফতের বাংলাদেশ। স্বাধীনতা এনেছি রক্ত দিয়ে প্রয়োজনে আবারো জীবন দিয়ে এ স্বাধীনতা রক্ষা করবো। । 

এ সময় বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মনোনীত  চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনের মনোনীত প্রার্থী মুফতী আনিছুর রহমান কাসেমী।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ কচুয়া উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি নুরুল ইসলাম মাদানীর সভাপতিত্বে ও কচুয়া পৌর শাখার সভাপতি মুফতি রিয়াজুল হক মজুমদারের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মহাসচিব মাও. জালাল উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ন মহাসচিব মাও. আতাউল্লাহ আমিনী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমেদ, কচুয়া উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মো. হুমায়ুন কবির প্রধান, উপজেলা বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক মো. শাহজালাল প্রধান,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা লেয়াকত হুসাইন, সাধারন সম্পাদক মাওলানা হাবিবুর রহমান ও কচুয়া মাদ্রাসার মোহ্তামিম মাওলানা আবু হানিফসহ আরো অনেকে। 

এসময় প্রধান অতিথি আল্লামা মামুনুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের  মনোনীত প্রার্থী মুফতী আনিসুর রহমান কাশেমীকে আগামী ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিক্সা প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করা আহবান জানান।

এছাড়াও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির আল্লামা মামুনুল হকের কচুয়ায় আগমন উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকা থেকে দিনভর নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে স্লোগানের মাধ্যমে জনসভাস্থল কানায় কানায় পরিপূর্ন করে তোলেন।