উপদেষ্টাদের পক্ষপাত বন্ধ না করলে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: ড. রেজাউল করিম

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ৯ মাস আগে

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা মহানগর (উত্তর) জামায়াত সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, সরকারের “দু’একজন উপদেষ্টা” নির্দিষ্ট কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। 

তিনি বলেন, ওই উপদেষ্টাগণের পক্ষপাতিত্ব অব্যাহত থাকলে এবং অবাধ—নিরপেক্ষ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তুলতে মুসলিম সম্প্রদায়ের সংগঠন বাধ্য হবে।

রোববার সকালে লক্ষ্মীপুরে জেলা জামায়াতের আয়োজিত গণমিছিল শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেজাউল করিম এসব কথা বলেন। 

মিছিলটি প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।

রেজাউল করিম বলেন, “সরকারের দু’একজন উপদেষ্টা কোনো একটি দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। আমরা আজকে তাদের নাম নিতে চাই না। সেই উপদেষ্টারা যদি পক্ষপাতিত্ব না ছাড়েন, অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তারা যদি বাধা হয়ে দাঁড়ান, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হব।” 

তিনি আরও যোগ করেন, যদি সরকার জনগণের ইচ্ছা বাদ দিয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি না করে এবং ‘জুলাই সনদকে’ আইনি ভিত্তি দিতে ব্যর্থ হয় — এমনকি গণভোটকে যদি জুলাই সনদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত না করা হয় — তাহলে তারা নতুন করে “দুর্বার গণ-আন্দোলন” গড়ে তুলবেন।

সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবিতে (প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংক্ষেপে পিআর) স্মারকলিপি দেয়া হয়। 

জেলা জামায়াতের আমির এস ইউ এম রুহুল আমিন ভূঁইয়ার মঞ্চ পরিচালনা করেন; অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট নজীর আহমদ, সেক্রেটারি এ আর হাফিজ উল্লাহ ও সাবেক সেক্রেটারি ফারুক হোসেন নুরনবীসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে উপস্থাপিত স্মারকলিপিতে বিস্তারিত দাবি কী — তা সম্বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এমন দাবির প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের বা সরকারী দফতরগুলোর মন্তব্য সংবাদ বাংলার আপডেটে যোগ করা হবে (যদি পাওয়া যায়)।

শহরে মিছিল চলাকালে সড়কে কিছুটা যানজট দেখা যায়; নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মকর্তারা পর্যবেক্ষণ করেন যে সমাবেশটি শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ছোটখাটো কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই প্রভাব পড়েছে, তবে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা হয়নি।