খাল খনন প্রকল্পে কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ২ মাস আগে

ফরিদপুর প্রতিনিধি : সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী সদর আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, খাল খনন প্রকল্প সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর একটি। তিনি বলেন, এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত একটি উন্নয়ন উদ্যোগ। এই প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না।

রোববার বিকেলে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নে একটি খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে দুপুরে তিনি আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের মালা এলাকায় আরেকটি খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বোয়ালমারী খাল পুনঃখনন প্রকল্পে মোট প্রায় ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বর্তমান উদ্বোধনকৃত সাড়ে ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ খালটির জন্য বরাদ্দ ২ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

তিনি বলেন, প্রকল্পের আওতায় প্রতিদিন ৩৮০ জন শ্রমিক কাজের সুযোগ পাবেন। শ্রমিকদের মজুরি সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে, যাতে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ না থাকে।

“এখানে কারো কোনো ধরনের নয়ছয় করার সুযোগ নেই। কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব নেওয়া হবে,” বলেন তিনি।

এলাকাবাসীর উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের সব তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে কেউ জনগণকে বিভ্রান্ত বা বঞ্চিত করতে না পারে। তিনি প্রকল্প এলাকায় দ্রুত বিস্তারিত তথ্যসহ সাইনবোর্ড টাঙানোর নির্দেশ দেন।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, কৃষিকে বাঁচাতে এবং বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় খাল খননের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করবে এই প্রকল্প।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি সুফল নিশ্চিত করতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি।

বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. ইলিয়াস মোল্লা, সাবেক সংসদ সদস্য ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

সারাদেশ এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
আপনার দেওয়া তথ্যগুলো অত্যন্ত চমৎকার এবং গোছানো। প্রথম আলোর স্টাইলে এই সংবাদটি কীভাবে আরও পেশাদার রূপ পেতে পারে, তার একটি খসড়া নিচে দেওয়া হলো। আপনি এটি আপনার নিউজের চূড়ান্ত রূপ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন: রামগঞ্জ পৌরসভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনা: নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে জোর রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) | নিজস্ব প্রতিবেদক লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের লক্ষ্যে এক উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে পৌরসভা সভাকক্ষে আয়োজিত এই সভায় পৌর এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় সুধীজন ও জনপ্রতিনিধিদের মতামত গ্রহণ করা হয়। পৌর প্রশাসক কাজী আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং পৌর প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাকির হোসেন হেলালের সঞ্চালনায় সভায় বক্তারা আগামী অর্থবছরের বাজেটকে জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনা সভায় পৌর এলাকার সড়কগুলোতে পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা নিশ্চিতকরণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া যানজট নিরসন, রাস্তাঘাট সংস্কার, পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে রিকশাচালকদের তালিকাভুক্ত করার প্রস্তাব দেন অংশগ্রহণকারীরা। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম পিন্টু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন পলাশ, সাবেক সদস্য সচিব মিয়া আলমগীর, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, হিসাবরক্ষক মো. ইব্রাহিম মিয়া, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা প্রাণগোপাল দাস। সংবাদকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের ও সহ-সভাপতি জাকির হোসেন পাটোয়ারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বক্তারা বলেন, নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং রামগঞ্জ পৌরসভার আধুনিকায়নে এবারের বাজেট যেন বাস্তবসম্মত হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। জনগণের চাহিদা ও প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দেন পৌর প্রশাসক। সংবাদটি আরও উন্নত করার জন্য কিছু ছোট টিপস: * ছবি যুক্ত করা: আপনি যদি এই নিউজের সাথে ছবি যুক্ত করেন, তবে ছবির নিচে একটি ক্যাপশন দেবেন। যেমন: মঙ্গলবার রামগঞ্জ পৌরসভা কার্যালয়ে আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন পৌর প্রশাসক কাজী আতিকুর রহমান। * বিশেষ কোনো মন্তব্য: যদি আলোচকদের মধ্যে কেউ সড়ক সংস্কার বা নির্দিষ্ট কোনো সমস্যা নিয়ে বিশেষভাবে ক্ষোভ প্রকাশ বা প্রস্তাব দিয়ে থাকেন, তবে সেই উদ্ধৃতিটি (Quote) সরাসরি ব্যবহার করলে সংবাদটি আরও প্রাণবন্ত হবে। আপনার এই প্রতিবেদনটি কি কোনো পত্রিকায় বা ফেসবুকে প্রকাশের জন্য তৈরি করছেন? সে অনুযায়ী চাইলে আমি আরও কিছুটা কাটছাঁট করে দিতে পারি।
৭ দিন আগে