বিদায় সংবর্ধনা লক্ষ্মীপুরে পল্লীবিদ্যুতের ডিজিএমকে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ৪ years ago

ফারজানা আক্তার বৃষ্টি, নিজস্ব প্রতিবেদক :

“যেতে নাহি দিব হায়, তবু যেতে দিতে হয়, তবু চলে যায়” – জীবনের এই কঠিন সত্যটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন অনেক আগেই। তবুও মায়ার বাঁধন ছিঁড়তে চায় না মানুষ।

লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. সিরাজুল ইসলামকে বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে গত রবিবার ( পহেলা জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পল্লীবিদ্যুতের জেলা কার্যালয়ের হলরুমে ক্রীড়া সাংস্কৃতিক কল্যাণ পরিষদের ব্যানারে এ আয়োজন করা হয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে ডেপুটি জেনারেল মোঃ সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় , ৯১৮৫ সালে তিনি পল্লী বিদ্যুতে যোগ দেন। ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যশোরে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার পদে থাকাকালীন ৩৩ হাজার বোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন কেন্দ্রে কাজ করছিলেন তিনি। তখন বিদ্যুৎ সঞ্চালন এর কার্যক্রম বন্ধ ছিলো। হঠাৎ করে অন্য একজন এসে বিদ্যুৎ সঞ্চালন সুইচ ওপেন করে দেন৷ এতে করে তার বাম হাত পুড়ে যায়। কেটে ফেলতে হয় হাতটি। দীর্ঘ তিন বছর পর সুস্থ হয়ে তিনি ফের কাজে আবার যোগ দেন।

লক্ষ্মীপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন রামগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম নুরুল আলম ভূঁইয়া, চন্দ্রগঞ্জের ডিজিএম মাহফুজুর রহমান, রামগতির ডিজিএম রেজাউল করিম, ভবানীগঞ্জের ডিজিএম আলী হাসান মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, রায়পুরের ডিজিএম শাহাদাত হোসেন, সদরের ডিজিএম (কারিগরি) তাজুল ইসলাম ও সদরের এজিএম এসএমজি এলমান শাহ প্রমুখ।

উপস্থিত বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, কর্মক্ষেত্রে সিরাজুল ইসলাম সৎ ও সাহসী ছিলেন। একটি হাত হারানোর পরও তিনি থেমে যাননি। হেরে যান নাই জীবনযুদ্ধে। দৃঢ় মনোবল, দক্ষতা ও কর্মগুণে তিনি এজিএম ও পরে ডিজিএম পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। তার ত্যাগ এবং অর্জনে প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর শিক্ষনীয় বিষয় রয়েছে। আমরা সর্বদা তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।