পিতার ইসালে সওয়াবে এক হাজার পরিবারকে সামগ্রী বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ২ years ago

  • মোহাম্মদ ইউনুছ অভি, টেকনাফ কক্সবাজার :

টেকনাফ সদর গোদারবিল এলাকার মরহুম হাজ্বী বশির আহমদের ইসালে সওয়াব পৌঁছানোর জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে গরীব,অসহায়, মিসকিনদের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উখিয়া টেকনাফের সাবেক এমপি আলহাজ্ব আবদুর রহমান বদি এবং ফারুক আলম বাবুল, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ মিডিয়া কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

এমপি বদি বলেন, যাকাতভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। প্রচলিত পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা মানুষকে মুক্তি দিতে পারেনি। পুঁজিবাদী অর্থ ব্যবস্থা গরিব ও অসহায়দের আরও নিঃস্ব করেছে এবং ধনীদের আর ধনী করে সমাজে চরম বৈষম্য সৃষ্টি করেছে।

তিনি আরো বলেন, একশ্রেণির মানুষ আঙ্গুল ফুলে বটগাছে পরিণত হয়েছে, আর অন্যদিকে গরিব ও অসহায় মানুষ খোলা আকাশের নিচে, বস্তি ও ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এজন্য আমাদেরকে গরীবদের পাশে থাকতে হবে,তাদের আর্থিকভাবে সাহায্য করতে হবে।

আত্মীয়-স্বজন, আপনজন কিংবা কাছের ও পরিচিত কেউ পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলে, মানুষ কষ্টে ব্যথাতুর হয়। তাদের স্মরণ করে প্রতিনিয়ত স্মৃতিকাতর হয়। বেদনার পলেস্তরা জমাট বাধে হৃদয়-মনে। এ বেদনা ও স্মৃতিকাতরতা থেকে জন্ম নেয়, যদি সম্ভব হয় তাদের জন্য কিছু প্রবল ইচ্ছা। কিন্তু মৃতদের জন্য কী করা যায়? ইসলামী শরিয়ত মৃতদের স্মরণের সুন্দর ও সঠিক নির্দেশনা দিয়েছে।

এ জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়, দিবস বা তারিখের অপেক্ষা করতে হয় না বা বাধ্যবাধকতাও নেই।

কোনো অনুষ্ঠানে ও সেমিনার-সিম্পোজিয়ামেরও প্রয়োজন নেই। শরিয়ত মোতাবেক মৃতদের কীভাবে স্মরণ করা যায়, যেমন কেউ যদি মৃত ব্যক্তির কাছে সওয়াব পৌঁছানোর নিয়তে গরিব-দুঃখী ও অসহায়দের খাবার খাওয়ায়,বা টাকা পয়সা দিয়ে সাহায্য করে তাহলে সেটা বৈধ।