

মোঃ শফিক তপাদার, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ২ নং উত্তর আলগী ইউনিয়ন পরিষদের নয়নী লক্ষ্ণীপুর গ্রামের মাতব্বর বাড়ির মৃত আমির হোসেন মাতব্বর ৪র্থ ছেলে হাফেজ মোঃ মাহবুবুর রহমান মাতব্বর তার দ্বিতীয় স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে হাজীগঞ্জ উপজেলার ২নং বাকিলা ইউনিয়ন পরিষদের ফুলছোয়া গ্রামের জিতু গাজীর বিধবা নারী তাহেরা বেগম দুই সন্তানের জননী নিয়ে ইমাম হাফেজ মোঃ মাহবুবুর রহমান মাতব্বর উধাও।
লম্পট ইমাম হাফেজ মোঃ মাহবুবুর রহমান মাতব্বর হাইমচরের নয়ানী গ্রামে তার জন্ম, সেই লেখা পড়া জীবনে অনেক নারীর জীবন নষ্ট করেছেন এলাকা বাসী অভিযোগ।
সে ২০১৬ সালে প্রথম বিবাহ করেন,কিছু দিন না যেতে সে পরকীয়া প্রেমের কারনে তাহার বিবাহ করা স্ত্রীকে বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়ে যায়, ১তম স্ত্রী তাহার নির্যাতন না সহ্য করতে না পরে চলে যায়। কিছু দিন না যেতে সেই তার পাশের গ্রামের বরকন্দাজ বাড়ির জিতু বরকন্দাজ এর একমাত্র মেয়ে শাহিনা আক্তার কে পারিবারিক ভাবে বিবাহ করেন। বছর খানেক পরে তাহাদের ঘরে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম নেই। ছেলের নাম রাখা হয়, আব্দুল্লাহ আল নুমান, (৫) বছর, পরে তাদের সংসারে আরকটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়, তার নামঃ মুসফিরা আক্তার হুমাইয়া(,৪) বছর। মোটামুটি সুখে সংসার চলছিল। কিছু দিন না যেতে শাহিনার স্বামী হাফেজ মোঃ মাহবুবুর রহমান মাতব্বর পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন।
তার স্ত্রী তাকে বিভিন্ন ভাবে বুঝাইতে চাইলে তাহাকে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন ও অত্যাচার করতেন। তার পরেও স্বামীর সংসার ছেড়ে আসেনি, কেন তার ঘরে দুইটি শিশু সন্তান রয়েছে। মাহবুবুর রহমান ঢাকায় ইমামতি করতে গিয়ে সেখানে পরকীয়া প্রেমে আবারো জড়িয়ে পড়েন, স্ত্রী শাহিনা আক্তার খবর পেয়ে তার শাশুড়ীকে বিষয়টি জানান, তার পরে মাহবুবুর রহমান মাতব্বর এর মা ছেলেকে বিভিন্ন ভাবে বুঝিয়ে ঠিক করতে না ফেরে তার পুত্র বউ কে ছেলের সাথে ঢাকায় পাঠিয়ে দেন। সেখানে বাসা বাড়া নিয়ে বসবাস করেন। কিন্তু তার পরকীয়া প্রেমের খবর জানতে পারে স্ত্রী শাহিনা আক্তার, যে মসজিদে ইমামতি করতেন, মসজিদের সভাপতি কে বিষয়টি জানানোর পরে তাকে চাকুরী থেকে বাদ দিয়ে দেন।
তার আগে হাজীগঞ্জ উপজেলায় পৌরসভার জামে মসজিদের খতিব হিসাবে দীর্ঘ দিন ইমামতি করতেন। দীর্ঘ দিন ইমামতি করার কারনে সেই একজন মাদ্রাসার শিক্ষকের সাথে বন্ধুত্ব করেন। বন্ধুত্বর সুযোগ নিয়ে বন্ধুর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। এই বিষয়ে বন্ধু জানার পরে তার সাথে জগড়া হয়, এবং বন্ধুর স্ত্রী তাহেরা আক্তারের সাথে বিভিন্ন সময়ে জগড়া হইতো। কিছু দিন পর তাহেরা আক্তার তার স্বামীকে লাথি মারনে এক পর্যায়ে সে মারা যান,এলাকা বাসীর অভিযোগ।
বছর খানেক না যেতেই পরকীয়া প্রেমিক হাফেজ মোঃ মাহবুবুর রহমান মাতব্বর কে নিয়ে ঢাকা উধাও। দ্বিতীয় স্ত্রী শাহিনা আক্তার অনেক খুঁজাখুজি করে জানতে পারে, হাজীগঞ্জ উপজেলার ২নং বাকিলা ইউনিয়নের ফুলছোয়া গ্রামের জিতু গাজীর বিধবা মেয়ে তাহেরা আক্তারের সাথে গোপনে এক সাথে সংসার করেছেন। দ্বিতীয় স্ত্রী শাহিনা আক্তার খবর পেয়ে সেই বাড়িতে যান, এবং গ্রামের মেম্বারের সরানাপূর্ন হন, মেম্বার আবুল বাসার তার সহযোগিতা তাকে থানা পুলিশের হাতে উঠিয়ে দেন। সেখানে সঠিক কোন বিচার না পেয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী শাহিনা আক্তার চাঁদপুর নারী শিশু ট্রাইবানালে একটি দরখাস্ত মামলা করেন ,মামলা নম্বরঃ৯৯/২৩ স্বারক নং ২১২৬।
মামলা পিবিআই তদন্তের জন্য রয়েছে।
বর্তমানে দ্বিতীয় স্ত্রী শাহিনা আক্তার দুই সন্তান নিয়ে মানবতার জীবনযাপন করছেন।
তার বিনীত অনুরোধ প্রশাসনের কাছে তাকে দৃষ্টান্ত শাস্তি দেয়া জন্য প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ যে তার খপ্পরে পড়ে কোন নারীর জীবন নষ্ট না হয়।
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com