

নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় কর্তৃত্বজিংকের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহভাজন চাঁন মিয়া ওরফে ‘চাঁন্দা ডাকাত’ (৩৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় Rapid Action Battalion‑11 (র্যাব-১১) অভিযান পরিচালনায় ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ১ রাউন্ড গুলি ও ১টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত চাঁন্দা ডাকাত উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডের চর আলাউদ্দিন গ্রামের মোজাম সর্দার বাড়ির আব্দুল বাতেনের ছেলে এবং ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দিদারের ভাই। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে চরওয়াপদা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের আলআমিন বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু বলেন, “চাঁন্দা ডাকাত এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে নিরীহ মানুষদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে আসছিল, অস্ত্র ও গুলি সহ বিভিন্ন দাঙ্গা-হাঙ্গামার সঙ্গে জড়িত ছিল।” তিনি জানান, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে চরজব্বর ও হাতিয়া থানায় হত্যার চেষ্টাসহ অন্যান্য মামলা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গত ৫ আগস্ট থেকে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে চাঁন্দা ডাকাত বাহিনী, ‘ফারুক বাহিনী’ এবং মাদককারবারি ‘তোতলা বাহিনী’ নির্বিচারে চাঁদাবাজি, খামারের গরু-মহিষ, মাছ লুট, অবৈধ অস্ত্রধারীদের স্বপ্নস্থলে পরিণত হয়েছে। এক স্থানীয় জন বললেন, “চাঁন্দা ডাকাত ও ফারুক বাহিনী খামার থেকে ২০টি মহিষ, ২৬টি গরুসহ বিভিন্ন প্রজেক্ট থেকে কোটি টাকার মাছ ও ধান হাতিয়ে নিয়েছে। খামারিরা ভয়-ভীতি আর অস্ত্রের কারণে বাধা দিতে পারেনি।”
গ্রেপ্তার হওয়া চাঁন্দা ডাকাতের ভাই মো. দিদার দাবি করেছেন, “আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে কোনো চুরির অভিযোগ নেই, ষড়যন্ত্র করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ইউনিয়নে কোনো বাহিনী নেই।”
র্যাব কমান্ডার মিঠুন কুমার কুণ্ডু আরও বলেন, “অবৈধ অস্ত্র ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আগামীতেও আইনসভিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com