

মহাসাগরের তলদেশের তেল-গ্যাস, মৎস্য ও খনিজ সম্পদ থেকে শুরু করে শৈবাল-ভিত্তিক শিল্প পর্যন্ত; কার্যকর নীতি ও প্রযুক্তি ব্যবহারে বিপুল সম্ভাবনা
সিরাজুল ইসলাম : বঙ্গোপসাগরের বিশাল সমুদ্র সম্পদকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে শক্তিশালী অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নেওয়ার ধারণা ব্লু ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি। বিশ্বের মোট ৮৮ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির মধ্যে ২৪ ট্রিলিয়ন ডলার আসে সমুদ্রভিত্তিক কর্মকাণ্ড থেকে। তবে বাংলাদেশের অবদান এখনও নগণ্য।
২০১২ সালে মিয়ানমার এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ মীমাংসার পর বাংলাদেশ পেয়েছে ১,১৮,৮১৩ বর্গকিলোমিটার সার্বভৌম সমুদ্র অঞ্চল। তটরেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন এবং ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত কন্টিনেন্টাল শেলফে আমাদের কার্যক্রম সম্প্রসারিত।
তবে দশ বছরের মধ্যে আমরা তেমন অগ্রগতি করতে পারিনি। তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে ২৬টি ব্লক চিহ্নিত করা হয়েছে, তবে কার্যকর অনুসন্ধান শুরু হয়নি। মৎস্য সম্পদ ব্যবস্থাপনাও সীমিত; ৫০০ প্রজাতির মাছের সম্ভাব্য আহরণ বছরে ৮ মিলিয়ন টন, অথচ আমরা আহরণ করছি মাত্র ০.৭ মিলিয়ন টন।
শৈবাল বা সি-উইড শিল্প নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলছে। এটি খাদ্য, ঔষধ, প্রসাধনী, সার ও ভ্যালু-অ্যাডেড পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত হচ্ছে। কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে এ নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী শৈবাল চাষ উপকূলীয় মৎস্যজীবী ও গৃহিণীদের বিকল্প আয়ের উৎস হতে পারে।
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com