

মোহাম্মদ ইউনুছ অভি, টেকনাফ প্রতিনিধি :
সাগরে ২২ দিন মাছ আহরণ নিষেধাজ্ঞা ২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাত ১২ টায় শেষ হচ্ছে। এ নিয়ে টেকনাফ সহ কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকার জেলে পাড়ায় ফিরে এসেছে আনন্দের জোয়ার। প্রস্তুতি ও আয়োজন প্রায় সম্পন্ন। জাল ও বোট নিয়ে মাছ আহরণে জেলেরা এখন অপেক্ষা করছে সাগর উপকূলের ঘাট সমূহে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম হওয়ায় গত ১২ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে সাগরে মাছ আহরণ নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছিল মৎস্য অধিদপ্তর। এ সময় কর্মহীন হয়ে পড়া জেলেদের কে ২৫ কেজি করে চাল সহায়তা দেওয়া হয়েছে।যা তাদের জন্য একবারে নুন্যতম বলে জানান। এর পর ও তারা আশা প্রকাশ করে বলেন ইলিশের ভরা মৌসুম প্রচুর মাছ পাওয়া যাবে। আহরিত মাছ বিক্রি করে বন্ধের সময় ধার নেওয়া টাকা পরিশোধ করতে কোন সমস্যা হবে না। এ দিকে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা এবং অবরোধ চলছে। এ নিয়ে জেলেরা চিন্তিত। তাদের মতে আহরিত মাছ বাজার জাত নিয়ে সমস্যায় পড়ার আশংকা করছেন জেলে পরিবার। অপরদিকে সাগরে জলদস্যুর উৎপাত না থাকলে জেলেরা নির্ভয়ে মাছ আহরণ করতে পারবে বলে স্থানীয় জেলেরা এ প্রতিবেদকে জানান। দেশের দক্ষিণ সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ মৎস্য জোন হিসাবে খ্যাত।সাগর উপকূলের অধিকাংশ পেশায় নিয়োজিত মৎস্যজীবী।২০১৭ সালে মাদক ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বৃদ্ধি পাওয়ায় নাফ নদীতে মাছ আহরণ নিষিদ্ধ করে। আজ ৬ বছর ধরে নাফ নদীতে জেলে পরিবার মাছ আহরণ করতে না পারায় তারা একমাত্র সাগরের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।
শাহপরীরদীপ জেলে ঘাটের মৎস্যজীবী সমবায়,সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর জানান,সাগর উপকূলের দস্যুতা দমনে স্থানীয় কোস্ট গার্ড বাহিনী দায়িত্বে নিয়োজিত থাকায় অপরাধ প্রবণতা অতীতের তুলনায় অনেক কমে গেছে। ফলে জেলেরা নির্ভয়ে মাছ আহরণ করে আসছে।
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com