![]()

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের হলরুমে (১২ ফেব্রুয়ারি) বুধবার বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠান ছিল। জেলা প্রশাসকের সম্মতিতে দুপুর ১২টায় এই অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারণ করা থাকলেও জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১১টায় থাকা গুরুত্বপূর্ণ মিটিংটি ১২টায় শেষ না হলে বাজে বিপত্তি।
মিটিং শেষ হওয়ার আগেই ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের প্ররোচনায় তড়িঘড়ি করে উঠে যান কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি এম আব্দুল্লাহ। পরিকল্পিতভাবে জেলা প্রশাসককে বিতর্কিত করতে তারা নীচে গিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তির চেক বিতরণ করেন। শুধু এটুকু করেই তারা কান্ত হনননি দেশের গুরুত্বপূর্ণ অনেক গণমাধ্যমে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে উদ্ভট, বানোয়াট উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ পরিবেশন করে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. মুফিদুল আলম জানান, এটা নিতান্ত ভুল বুঝাবুঝি ও আমার বিরুদ্ধে রাগের বহি:প্রকাশ। জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মিটিংটি সংগত কারণে একটু বেশী সময় নিলে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানটি প্রায় পৌনে একঘন্টা পিছিয়ে যায়। ততক্ষণ পিআইডির অতিথিসহ ময়মনসিংহের কিছু সাংবাদিক আমার রুমে অপেক্ষামান ছিলেন।
তিনি আরও জানান, আমি অনুষ্ঠানের জন্য চা-নাস্তাসহ সকল আয়োজন সঠিকভাবে তৈরী করে রেখেছিলাম। মিটিং শেষ হলে আমার রুমে গিয়ে দেখি তারা নেই। আমি মোবাইলে কল দিলে, একজন জানান তারা চলে গেছেন! এই বিষয়ে আমাকে কোন কিছু অবহিত না করেই তারা আমার রুম ছেড়ে চলে যান এবং রাস্তায় গিয়ে চেক বিতরণ করেন। এটা অত্যন্ত দু:খজনক। চেক বিতরণের অনুষ্ঠানের জন্য আমার আয়োজন ও প্রস্তুতির কোন কমতি ছিলোনা! আমাকে বিতর্কিত করার জন্য একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপের ইচ্ছাকৃত এই কাজ করেছে।
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com