

নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে দক্ষিণ চর সেকান্দর তা'লিমুল কোরআন নূরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক আহত হয় ২জন। উক্ত মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ আবু সাঈদ ও সহকারী শিক্ষক আলামিন এবং সহকারী শিক্ষক এমরনের উপরে অতর্কিত হামলা চালায় জহির, আজিম ও অন্যান্যরা।
রোববার (১৮ জুন) রাতে ভুক্তভোগী মাওলানা আবু সাঈদ বলেন, আমার বাড়ির পাশে কিছু লোক তাস ও জুয়া খেলে এতে আমি ও মাদ্রার শিক্ষক এলাকার ছেলেদের কে তাস ও জুয়া খেলা নিয়ে বাঁধা দিলে তারা দৌড়ে পালায়। এতে করে পরের দিন সকাল সাড়ে ৯টা মাদ্রাসা চলা কালীন হামলা করে। আবু সাঈদ ও আলামিনসহ তাদের অন্যাঅন্য লোকজন এসে আমাদের মাদ্রাসার শিক্ষকের উপরে হামলা চালায় এবং মাদ্রাসার চেয়ার টেবিল ভাংচুর করেন।
সারারাত চলে তাস খেলা ও মাদকসেবন। তরুণ প্রজন্ম দিনকে দিন ঝুঁকে পড়ছে মাদকের মতো ভয়ংকর মারাত্মক নেশায়। একটু সুযোগ পেলেই তাদের সময় কাটে তাস, জুয়া ও মাদক সেবনের মতো ভয়াবহ কার্যক্রমে। তারা যে শুধু তাদেরকে ধ্বংস করছে তা নয় এলাকার অন্য তরুণ প্রজন্মকেও তাদের আওতায় আনার চেষ্টা করে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎগুলো নষ্ট করে দেয়।
রামগতি উপজেলা পৌর ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নূর নবী পাটোয়ারী বলেন, এদের বিষয়টি আমি জানি। ওরা উভয় আমার ওয়ার্ডের বাসিন্দা। এদের উভয়কে ডেকে সমাধানের জন্য চেষ্টা করবো। তবে একটি বিষয় আমার কাছে খারাপ লেগেছে। এভাবে মাদ্রাসা গিয়ে ভাংচুর ও হামলা করার কোনো প্রয়োজন ছিলো না। এতে করে মাদ্রাসার শিক্ষকের সম্মান নষ্ট হয়েছে, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ভয় পেয়েছে।
রামগতি উপজেলা চর আলগী ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাশেদুল ইসলাম নিজাম বলেন, বিষয়টি জেনেছি, আমি এলাকার বাহিরে আছি তাই এখন কি হয়েছে তা বলতে পারাচ্ছি না।
রামগতি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, দক্ষিণ চর সেকান্দর তা'লিমুল কোরআন নূরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা যে ঘটনাটি ঘটেছে তা নিয়ে যেহেতু মামলা হয়েছে কোটে। মাদ্রাসার লোকেরা এসে আমার কাছে বলেছে এবং তা তদন্ত চলছে।
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com