রাসেল’স ভাইপারের উপদ্রব প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ২ years ago

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক :

চাঁদপুর জেলায় রাসেল’স ভাইপার সাপের উপদ্রব প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

সাপ বিষয়ক গবেষকরা বলছেন, বিশ্বে এখন পর্যন্ত সাড়ে ৩ হাজারের কিছু বেশি প্রজাতির সাপের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৭’শ প্রজাতির সাপের বিষ থাকলেও সবগুলোর কামড়ে মানুষ মারা যায় না। ১ ছোবলে মানুষের মৃত্যু হতে পারে, এমন বিষধর সাপের সংখ্যা ২’শ ৫০।

অল্প সময়ে বেশি বিষ দেয় রাসেলস ভাইপার। এই সাপ ডিম দেয় না, তবে বাচ্চা দেয়। বাচ্চা বড় হতে ৬ থেকে ৭ মাস সময় লাগে। প্রতি বছর জুন থেকে জুলাই মাসে বাচ্চা দেয় রাসেল’স ভাইপার। রাসেল’স ভাইপার ৪০ মিলি গ্রাম বিষ দিলে সেই মানুষ মারা যাবে। তবে তাদের শরীরে সর্বো

আজ মঙ্গলবার (২ জুলাই) সকালের দিকে চাঁদপুর জেলা সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) কামরুল হোসেন।

এসময় চাঁদপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন, চাঁদপুর জেলা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বশির আহমেদ, চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে তত্ত্বাবধায় ডা. মাহাবুবুর রহমান, চাঁদপুর জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্রীমা চাকমাসহ বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, জনপ্রতিনিধিগণ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

রাসেল’স ভাইপারের উপদ্রব প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক কর্মশালায় রাসেল’স ভাইপার উপদ্রব প্রতিরোধে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক পরামর্শ দেওয়া হয়।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করে থাকেন চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নোমান হোসাইন।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান তাঁর বক্তব্যে বলেন, সাপে কামড়ালে ওঝা বা বেদে-বেদেনীদের কাছে নয়া গিয়ে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে যান। জেলা ও উপজেলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিনামূল্যে সর্পদংশনের বিজ্ঞান সম্মত চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে। সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা, সময়মত ও রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে প্রেরণ ও দ্রুত যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে সর্পদংশনে মৃত্যুর হার বহুলাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিষের প্রতিষেধক বা অ্যান্টিভেনম আছে। 

সব জায়গায় হাসপাতালগুলোয় অ্যান্টিভেনম রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।