
মোঃ হাছানুর জামান ভূঁইয়া, নিজস্ব প্রতিবেদক:
রামগঞ্জ বাবার উপর দফাদফা হামলা চালিয়ে বাড়ী ছাড়তে বাধ্য করলেন অবাধ্য সন্তান ফয়সাল আলম। বাবার রোজগারের একমাত্র সম্বল পিকাপ গাড়ী বাড়ীতে রাখার কারণে ওই গাড়িটা ভাংচুর করছেন ফয়সাল। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ পানিয়ালা জমাদ্দার বাড়িতে।
ভুক্তভোগী মো: মোস্তফা মিয়া জানান আমার ছেলে ফয়সাল আলম আমাকে গত প্রায় তিন বছর যাবত বাড়িতে বসবাস করতে দেয়নি। আমার দুইটি শিশু সন্তানসহ স্ত্রীকে নিয়ে মানবতা জীবন-যাপন করতেছি।
গ্রাম্য সালিশি সহ থানায় অভিযোগ মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তাগণ বাড়ীতে থাকতে অনুমতি দিলেও ফয়সাল তাহা মেনে নেয়নি।
মাঝেমধ্যে বাড়িতে গেলে ফয়সাল আলম আমার উপর ছড়া হয়ে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন।
শুধু তাই নহে আমার একমাত্র রোজগার সম্বলটি পিকাপ গাড়ী বাড়িতে রাখার কারণে তাহা ভেঙে দিয়েছেন। রোজগারের সম্বল ভেঙে দেওয়ার কারণে আমি বেকার হয়ে মানবিকভাবে জীবন-যাপন করে আসতেছি। ফয়সাল মাঝেমধ্যে লোকজন নিয়ে আমার ভাড়া বাসায় জয়দেবপুর গ্রামে গিয়ে স্ত্রী ও শিশু সন্তানের উপর চওড়া হোন এবং হুমকি ধামকি দিয়েছেন।
তিনি আরও জানান কোরবানি ঈদের পূর্বেও তাকে সহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাহাদিগকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেছেন।
মোস্তফা মিয়া আরও জানান আমি দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে ফয়সাল আমাকে বাড়ী ছাড়তে বাধ্য করেছেন। আমার দ্বিতীয় স্ত্রী, দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে মানবতা জীবন-যাপন করতে হয়েছে। বাড়ির লোকজন ও গ্রামবাসির কথাও মানেননি ফয়সাল আলম। কয়েকবার সালিশ বৈঠক সিদ্ধান্ত হয়েছে আমাকে বাড়িতে আলাদা ঘর করতে। ঘর করার বর্তমানে আমি মানবতা জীবন-যাপন করতে হয়েছে। অভিযুক্ত ফয়সাল আলম বলেছেন বাবার উপর হামলা ঘটনা সত্য নহে। বাবা বাড়িতে গিয়ে আমাদের উপর চড়া হোন।
থানা পুলিশের উপপরিদর্শক এসআই ওলি উল্লাহ বলেন, আমার কাছে তাহাদের একটা অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধী সনাক্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বস্ত করছেন।
