

মোঃ হাছানুর জামান ভূঁইয়া, নিজস্ব প্রতিবেদক:
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের আকরতমা জয়নগর বাড়ীর সামনে খালের উপর দিয়ে পারাপারের জন্য বাঁশ ও কাঠ দিয়ে সাঁকো নির্মান কাজ শুরু করেন একই এলাকার কোনার বাড়ীর প্রবাসী আবদুল হক। এতে চাঁদা দাবী করে কাজ বন্ধ করে দেন জয়নগর বাড়ীর জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ। চাহিদাকৃত চাঁদার টাকা না দেওয়ায় সাঁকোর সামনে বেড়া দেয়াসহ সাঁেকার কাঠ বাঁশ খুলে নিয়ে হয়রানি ও মানসিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আকরতমা কোনার বাড়ীর সৌদী প্রবাসী আবদুল হক ছুটিতে বাড়ী এসে নতুন বাড়ী করার উদ্যেশ্যে এবং সাধারন মানুষ চলাচলের জন্য জয়নগর বাড়ীর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালটির উপরে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে একটি সাঁকো নির্মান কাজ শুরু করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জয়নগর বাড়ীর সাঁকোর মুখে বেড়া দিয়ে দেয়। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি সরেজমিনে এসে সাঁকোর মুখের বাঁশের বেড়া তুলে দেন। চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর জাহাঙ্গীর আলমের দুই ছেলে সোহাগ ও টিপুর নেতৃত্বে একদল দূর্বৃত্ত কাঠের সাঁকোটির বেশ কিছু কাঠ খুলে নিয়ে যায়।
সৌদী প্রবাসী আবদুল হক জানান, ভোলাকোট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় তহশিলদার এসে খালের উপর সাঁকো নির্মানের জায়গা নির্ধারন করে দিয়েছেন। কিন্ত সোহাগ ও টিপু আমাকে টাকা দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। আমরা টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় বুধবার দুপুরে জাহাঙ্গীর আলমের দুই ছেলে সোহাগ ও টিপুর নেতৃত্বে একদল দূর্বৃত্ত কাঠের সাঁকোটির বেশ কিছু কাঠ খুলে নিয়ে যায়।
ভোলাকোট ইউনিয়নের তহশিলদার মোঃ সৈকত জানান, খালের জায়গা দখল করে জাহাঙ্গীর গং অবৈধভাবে ভরাট করে বসতি স্থাপন করেছেন। কিন্ত তারা সরকারি খাল নিজেদের দাবি করছেন এবং খালের ওপর দিয়ে কাউকে যাতায়াত করতে দিচ্ছেন না, এটা অমানবিক।
সাঁকো খুলে নেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত টিপু জানান, এখানে চেয়ারম্যানের কাজ কী? চেয়ারম্যান যদি আত্মীয় না হতো তাহলে ধাক্কা দিয়ে খালার নিচে ফেলে দিতাম। আমার জায়গায় আমি বাধা দিয়েছি। কেউ পারলে কিছু করুক।
ভোলাকোট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দেলু জানান, আইনে বলা আছে সরকারি খাল দখল করা দন্ডনীয় অপরাধ। কিন্ত জাহাঙ্গির এবং তার ছেলেরা সরকারি দখল করে বাড়ী নির্মান করেছেন। উল্টো তারা অন্যায়ভাবে মানুষের যাতায়াতের জন্য সাঁকো নির্মানে বাধা দিচ্ছেন এবং টাকা দাবী করছেন।
এ ব্যপারে রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবীবা মীরা জানান, বিষয়টি মৌখিকভাবে জেনেছি। আমি বান্দরবানে বদলি চলে যাচ্ছি। পরবর্তি নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ব্যবস্থা নিবেন।
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com