

নিজস্ব প্রতিবেদক :
জানতে চাইলে এমনটিই বলেছেন মোরগের মালিক নাজমা বেগম। তিনি লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলার হামছাদী ইউনিয়নের হামছাদি গ্রামের সৌদি প্রবাসী রফিকুল ইসলামের স্ত্রী।
'ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানো থেকে শুরু করে প্রায় একবছর ধরে মোরগটি পালন করে আসছি। এই একবছরে তিনবার মোরগটি জবাই করতে গেলে সে আল্লাহ বলে ডেকে উঠে। তার ডাকটা স্পষ্ট নয়। তবে মোরগের কণ্ঠ থেকে আল্লাহর নামের ধ্বনি ভেসে আসায় তার প্রতি মায়া জমে গেছে। এ মোরগ আর জবাই করবো না। আল্লাহ যতদিন বাঁচিয়ে রাখে ততদিনই আমি সযত্নে পালন করবো'।
নাজমা বেগমের নাতি আরাফ একটি ভিডিও করে তা সামাজি যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়। সেই ভিডিওটি প্রতিবেদকের হাতে আসে। এতে বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঘটনাস্থল গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা। অন্য মুরগি বা মোরগ শব্দ স্বাভাবিক রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মোরগটিকে নিজেদের সঙ্গে ঘরেই রাখেন নাজমা। অন্য মুরগিগুলোকে বাইরে খোয়াড়ে রাখা হয়। নাজমা নিজের ঘর থেকে মোরগটি বের করে আনেন। এসময় মোরগটি ডেকে উঠে। আল্লাহ ডাকটি স্পষ্ট না হলেও মোরগের কণ্ঠ থেকে ভেসে আসা ধ্বনি যেন আল্লাহর নামের। ঘটনাটি দেখতে ও নিজ কানে শুনতে আশপাশের লোকজনও ওই বাড়িতে ভীড় জমান। যাদের মাঝে এ মোরগ নিয়ে কৌতুহল দেখা যায়। কেউ বলছেন মোরগটি জবাই না করার জন্য, আবার কেউ বলছেন যত্ন সহকারে পালন করার জন্য। মোরগের মালিক নাজমাও বলছেন, তিনি কোনভাবেই মোরগটি জবাই করবেন না। মোরগটি মারা যাওয়া পর্যন্ত তার কাছেই থাকবে।
নাজমার ভাতিজা কাতার প্রবাসী নাছির আহম্মেদ বলেন, এক বছরের মধ্যে ৩ বার জবাই করতে গেলে মোরগটি আল্লাহ বলে ডেকে উঠে। কিন্তু তা স্পষ্ট নয়। আল্লাহ বলে ডাকায় মোরগটি জবাই করতে সবাই নিষেধ করেছে।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. যোবায়ের হোসেন বলেন, মোরগটি অন্যরকমভাবে ডাকছে। কিছুটা আল্লাহ ধ্বনির মতো। তবে এটি প্রাকৃতিক ঘটনা। যখন বয়োপ্রাপ্ত হয় তখন কণ্ঠের পরিবর্তন ঘটে। এর কারণেই ভিন্নতা কিছু দেখা যায়। তবে সঠিকভাবে এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। এটা নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন রয়েছেন।
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com