

মোহাম্মদ ইউনুছ অভি, টেকনাফ :
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নাফনদে সেদেশে জলসীমানায় বিচ্ছিন্নতাবাদী দলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় কক্সবাজরের টেকনাফের কেরুনতলী সীমান্ত কেঁপে উঠেছে। বুধবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত নাফে লাল দ্বীপে নামক স্থানে সীমান্তে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি এবং রোহিঙ্গা সলিডারিটি অরগানাইজেশন (আরএসও) মধ্য ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনায় প্রাণহানির ঘটেছে। তবে টিক কতজন মারাগেছে সেটি কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি।
তবে এ-বিষয়ে টেকনাফ বর্ডার গার্ড ব্যাটেলিয়ন ২ এর অধিনায়ক লেফটেন কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছন, ‘সীমান্তের ওপারে লাল দ্বীপে মিয়ানমারের দুটি বিচ্ছিন্নতাবাদী দলের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। সেখানে কিছু প্রাণহানি হয়েছ বলেও তারা সংবাদ পেয়ে়ছেন। কিন্তু বিজিবি নাফ নদীতে তাদের টহল ও মনিটরিং বৃদ্ধি করেছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, টেকনাফের সদর ইউনিয়নের কেরুনতলী এলাকায় রোহিঙ্গা বেশ কিছু যুবকের আনাগুনা দেখা গেছে। এছাড়া পাহাড়ি এলাকা থেকে বের হয়ে প্রধান সড়কে গাড়ি থামিয়ে অনেক রোহিঙ্গা পরিবার নিয়ে উঠে পরছে। এদেও মধ্য অনকের গন্তব্য উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো। এছাড়া ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত নাফে লাল দ্বীপে গোলাগুলির শব্দে আতঙ্কের মধ্য আছে স্থানীয়রা।
সেখানকার বাসিন্দা আবদুল আমিন বলেন, ‘প্রতিনিয়ত এই এলাকায় রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করছে। অনেকে পাহাড়ে জমি কিনে ঘরে থাকছেন। এখানে পরিস্থিতি খুব ভয়াবহ। কেননা নাফনদে লাল দ্বীপে ব্যাপক গোলা বিষ্ফোরনে এলাকাজুড়ে কাপঁছে। শুনেছি সেখানে মিয়ানমারের দুটি সন্ত্রাসী দলের মধ্য গোলাগুলি চলছিল। এতে বেশকিছু মানুষ মারা গেছে বলে শুনেছি। এছাড়া বেশ কিছুদিন ধরে এ দ্বীপে একটি দল অবস্থান করছি।’
জানতে চাইতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বার ওর্য়াড কেরুনতলী এলাকা ইউপি সদস্য নজির আহমেদ জানান, ‘লাল দ্বীপে দুই গ্রæপের মধ্য ব্যাপক গোলাগুলির খবর স্থানীয়দের কাছ থেকে শুনেছি। তবে অন্যদিনের তুলনায় আজকের খুব বেশি গোলার শব্দ পাওয়া গেছে। তবে তার এলাকা থেকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের কথা অস্বীকার করেন।’
টেকনাফ স্থলবন্দর ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্টের ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘রাত ৭ টায়ও নাফনদীর সীমান্তে হাজারো গুলি র্বষণের শব্দ শুনেছি। আজকে গোলার শব্দগুলো অন্যদিনের চেয়ে এক’শগুন শক্তিশালী ছিল। মনে হচ্ছে আমাদের স্থলবন্দরের পাশে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। আমরা অনেকে ভয়ভীতির মধ্য রয়েছি। এর আগে সকালেও ব্যাপক গোলার শব্দ পাওয়া গেছে। এখানকার পরিস্থিতি থমথমে বিরাজ করছে।’
নাম প্রকাশে অচ্ছিুক সরকারি এক কর্মকর্তা বলেন, ‘লাল দ্বীপে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী দলের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলিতে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যুও খবর আমরা পাচ্ছি। অনেকে নদীতে ভাসমান নৌকায় লাশ দেখেছে।’
টেকনাফ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান বলেন, ‘তাঁর এলাকা কেরুনতলীতে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ পাওয়া কথা লোকজন অবহিত করেছে। তবে কার সাথে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে সেই বিষয়ে অবগত নেন তিনি।’
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com