

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের পুকুরদিয়া এলাকায় জমি নিয়ে বার বার সালিশি বৈঠক হলেও সমাধান মিলেনি দুই পরিবারের।
আজ মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার পুকুরদিয়া এলাকায় গেলে এমন ঘটনা সামনে আসে।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের
মৃত ছেরাজুল হকের ছেলে জহিরুল ইসলাম।
জহিরুল ইসলাম বলেন, লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করেছি।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের পুকুরদিয়া এলাকার বাসিন্দা মৃত ছেরাজুল হকের ছেলে জহিরুল ইসলামের সাথে প্রতিবেশী সুখ মিয়ার জমি-জমার মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। ২০০২ সালের মার্চ মাসের ২১ তারিখ ৩০৯১ নং সাফ কবলা দলিল মূল্যে ৬২.৫০ শতাংশ ও ১৯৯৪ সালের পহেলা জানুয়ারি ১৫ নং সাফ কবলা দলিল মূল্যে ১২.০০ শতাংশ একুনে ৭৪.৫০ শতাংশ ভূমির মালিক ও দখলদার হই। জহিরুল ইসলাম বাবার মৃত্যুতে ওয়ারিশ সূত্রে জমির মালিক হয়। সুখ মিয়া ও তার পরিবার নিয়ে এসে মালিকানা দখল করতে চায়। তার দুই ছেলে ও সন্ত্রাস নিয়ে এসে এই মালিকানা থেকে জহিরুল ইসলামকে বঞ্চিত করতে চায়। গত মার্চ মাসের ৫ তারিখে তারা জহিরুল ইসলামের উপরে সন্ত্রাসী হামলা করতে এসেছে। পরবর্তীতে এলাকার মানুষের কারণে কিছু করতে পারেনি। মার্চ মাসের ৫ তারিখে জহিরুল ইসলামকে বেদখল করার জন্য পুকুর খনন করতে শ্রমিক এনেছে সুখ মিয়া। তারা জহিরুল ইসলামের পৈতৃক সম্পত্তিতে পুকুর করে বেদখল করবে। জহিরুল ইসলাম বাঁধা দিতে গেলে ওরা সন্ত্রাসী কায়দা মারতে আসলে শৌর চিৎকার শুনে এলাকার লোকজন চলে আসে। তার পর স্থানীয় লোকজন দৌড়ে আসলে সুখ মিয়া ও তার পরিবারসহ সবাই পালিয়ে যায়।
জহিরুল ইসলাম বলেন, আমি আমার পরিবারসহ শান্তিতে বসবাস করতে চাই। সুখ মিয়ার কাছ থেকে আমার পৈতৃক সম্পত্তি হেফাজত চাই।
সুখ মিয়া বলেন, আমরা তাদের সাথে কোনো প্রকার ঝগড়া করতে চাই না। ওরা যে মালিক থেকে জমি কিনেছে আমরাও ওই মালিক থেকে জমি কিনেছি।
সুখ মিয়ার ছেলে রাজু বলেন, আমি একজন শিক্ষক আমার পক্ষে এমন কাজ করা সম্ভব না। আমার বাবা একজন আর্দশ মানুষ। আমাদেরকে এই শিক্ষা দেয় নাই। তার যে অভিযোগ করেছে তা মিথ্যা। আমরা আমাদের জমি দখল করছি। ওরা যদি একটি দলিল দেখাতে পারে তাহলে ওই জমিতে যাবো না।
সালিশ দার কাশেম মেম্বার বলেন, তাদের জমি নিয়ে অনেক আগ থেকে দ্বন্দ্ব। সালিশের মাধ্যমে উভয় পক্ষকে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা যদি এখন না বুঝে আমার কি আর করার আছে?
মূল জমির মালিক শফিকুর রহমান বলেন, আমার এই সম্পত্তি তিন জনের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। তাদেরকে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পরেও সুখ মিয়া আমার জমি দখল করতেছে। বার বার সালিশের নাম দিয়া আমার টাকা খায় সালিশদারেরা।
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com