

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে চলমান যুদ্ধের মুখে পালিয়ে নাফনদী দিয়ে অনুপ্রবেশকালে রোহিঙ্গাদের বহনকারী নৌকা ডুবে কক্সবাজারের টেকনাফে চার শিশুসহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে; এ দুর্ঘটনায় নিখোঁজ হয়েছে অন্তত ৮ জন।
মঙ্গলবার সকল থেকে বিকেল পর্যন্ত টেকনাফের লেদা ও শাহপরীর দ্বীপে নাফনদীতে ভেসে আসা মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
পরে মৃতদেহগুলো আল মানাহিল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর সংস্থার পক্ষ থেকে স্থানীয়ভাবে দাফন করা হয়।
কক্সবাজারের এনজিও কর্মী মাহবুব আলম মিনার বলেন, ‘আমাদের ফাউন্ডেশন পক্ষ থেকে শিশুসহ সাত জন রোহিঙ্গার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে সেগুলো স্থানীয়ভাবে দাফন করা হয়েছে।
মৃতদেহগুলো মধ্য একজন গর্ভবতী নারীও ছিল। এই নিয়ে গত এক সপ্তাহে আমরা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা গুলিবিদ্ধ ও নৌকা ডুবিতে নিহত ২৮৬ জনের লাশ দাফন করেছি। তার মধ্য চেয়ে বেশি ছিল শাহপরীর দ্বীপে।’
বিষয়ে টেকনাফের-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'নাফনদীতে কিছু রোহিঙ্গাদের মৃতদেহ ভেসে এসেছে। সেগুলো স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে দাফন সম্পন্ন করেছে।’
এর আগে গত ৬ আগস্ট নৌকা ডুবির ঘটনায় নাফনদী ও সাগরে ভেসে আসা ৫৪ জন রোহিঙ্গার মৃতদেহ উদ্ধারের খবর স্বীকার করেছিল টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা (ওসি) মো.ওসমান গনি।
হ্নীলার সীমান্তের বাসিন্দা মো. হুমায়ুন বলেন, ‘মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে চলমান যুদ্ধের মুখে পড়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে রোহিঙ্গারা।
গতকাল নাফনদী পেরিয়ে একটি রোহিঙ্গা বহনকারী নৌকা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকালে ঝড়ো হাওয়া কবলে পরে নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি।
তারই সুত্রে ধরেই নাফনদীতে রোহিঙ্গাদের মৃতদেহ ভেসে আসছে।’
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com