
সিরাজুল ইসলাম : বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই দেশের নদ-নদী অববাহিকায় দেখা দিয়েছে ভয়াবহ নদীভাঙন। উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের ১২টি জেলায় ভাঙনের তীব্রতায় গত কয়েক দিনে হাজার হাজার একর ফসলি জমি, বসতভিটা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। উপকূলীয় জেলাগুলোও এর ব্যতিক্রম নয়; সাতক্ষীরা, বাগেরহাট থেকে শুরু করে ভোলা ও লক্ষ্মীপুরের মেঘনা অববাহিকা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা এখন মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাওয়ার পথে।
গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস)-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ বছর দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের অন্তত ২ হাজার হেক্টর জমি নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ।
কোথাও নেই স্বস্তি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিনতলা ভারাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে চলে গেছে। একইভাবে ভোলার কাচিয়া ইউনিয়নের মাঝের চর এলাকায় গত ১০ দিনে গৃহহীন হয়েছে দুই শতাধিক পরিবার; তলিয়ে গেছে মসজিদ, মক্তব ও মাদ্রাসা। গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের মেঘনা ও তিস্তাপাড়ের মানুষগুলোও এখন বিনিদ্র রাত কাটাচ্ছেন।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ও পানি বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত বলেন, "নদীমাতৃক এই দেশে নদী ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাব রয়েছে। সরকার ভাঙন রোধে প্রচুর ব্যয় করলেও তা কতটা সমন্বিত বা পরিকল্পিত, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। প্রতি বছর বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতের নামে যে অর্থ ব্যয় হয়, তার সুফল সাধারণ মানুষ খুব একটা পায় না।"
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com