
রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা-এ তীব্র লোডশেডিং ও ভ্যাপসা গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে উপজেলার প্রায় চার লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৯ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৯ মেগাওয়াট। এ কারণে দিন-রাতজুড়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। পৌরশহরে দৈনিক ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকলেও উপজেলার ৯টি ওয়ার্ড ও ১০টি ইউনিয়নে অনেক এলাকায় দিনে-রাতে মিলিয়ে প্রায় ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না।
ভুক্তভোগীরা জানান, এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বিকেলে এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ এলেও পুরো রাত বিদ্যুৎ থাকে না।
বিদ্যুতের এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতালের রোগী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন খাতে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রেনু-পোনা উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া উপজেলার প্রায় ১৫টি হাসপাতাল, প্রায় ৩০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন শিল্পকারখানা, ৩২টি কাঁচাবাজার ও ২৭টি ব্যাংকের কার্যক্রমও বিঘ্নিত হচ্ছে।
পৌরসভার পীর ফয়জুল্লাহ সড়ক, মেইন রোড ও জলিল মিয়া সড়কের বাসিন্দারা জানান, ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ভ্যাপসা গরমে শিশু ও অসুস্থদের কষ্ট বেড়েছে। শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত পড়াশোনা করতে পারছে না।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Facebook-এ অনেকেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
রায়পুর পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম বলেন, বিভিন্ন কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি থাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। উপজেলায় মোট গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৯৫ হাজার ৮৫৬ জন। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পাওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সাময়িক এ দুর্ভোগের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
প্রশাসন ও বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com