

মোহাম্মদ ইউনুছ অভি, টেকনাফ :
টেকনাফ খাদেমুল কোরআন নূরানী মাদ্রাসা ও এতিম খানায় খতমী হাফেজদের পাগড়ী প্রদান সভা অনুষ্ঠিত হয়।
টেকনাফ সদরের জাহাঁলিয়া পাড়া ২ নং ওয়ার্ডে
একজন শিশু হাফেজ মোঃ সালমান, পিতা মৃত আলি হোসেন।
সেই অত্র মাদ্রাসা থেকে ৮ মাসে হিফজ সমাপ্ত করেছেন। অন্যজন হলেন মোঃ মাইনুল ইসলাম
জাহাঁলিয়া পাড়া টেকনাফ কক্সবাজার।
সেই ৯ মাসে হিফজ সমাপ্ত করেছেন,বাকি সবাই ১২ ও ১৮ মাসের মধ্যে শেষ করেছেন তার মধ্যে আরও একটি ছোট মাসুম বাচ্চা তার নাম মোঃ শাহিন পিতা আব্দুল মজিদ সাং মাঠ পাড়া টেকনাফ কক্সবাজার।
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ইং তারিখ দোয়া ও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কুরআনের এই হাফেজদের আনুষ্ঠানিক ভাবে পাগড়ি পরিয়ে দেন ।
এসময় ১২ জন নতুন হাফেজ যারা হয়েছে
মোঃ সালমান, মোঃ মোবারক হোসাইন,মোঃ ইয়াছিন আরাফাত, তানভীর হোসাইন, মোঃ ইসমাইল, মোঃ শাহিন, মাঈনুল ইসমাইল, মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, মোঃ ইমরান হাছান, আজিজুর রহমান, জাহিদ হোসেন মোঃ শাহিন।
উক্ত অনুস্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুফতি নুর আহমদ সাহেব পরিচালক সাবরাং দারুল উলুম বড় মাদ্রাসা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মাওলানা তাহের সাহেব নাইবে মুহতামিম,আল-জামেয়া আল-ইমদাদিয়া লেঙ্গুর বিল বড় মাদ্রাসা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জালাল আহমদ সাহেব বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও মেম্বার ২নং ওয়ার্ড টেকনাফ সদর ইউনিয়ন। আরো উপস্থিত ছিলেন হাফেজ নুরুল হক সাহেব বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও দানবির ,লেঙ্গুর বিল টেকনাফ।
মাওঃ নজির আহমদ সাহেব টেকনাফ। গূরা মিয়া সাহেব টেকনাফ, চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী
মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সহ অত্র মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং সকল শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, এলাকাবাসী।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ সালমানের এর উস্তাদ হাফেজ মাওলানা মোঃ ইউনুস বলেন, আমি সবসময় চেষ্টা করি আমার সকল ছাত্ররা যেন দ্রুত সময়ে মহাগ্রন্থ আল কুরআন মুখস্থ শেষ করে। চট্টগ্রাম বিশিষ্ট ব্যবসায়ী
সাইফুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ধর্মপ্রাণ ধর্মের প্রতি মমত্ববোধ এবং আল্লাহ তা'য়ালার সন্তুষ্টির জন্য নিজে যেমন কোরআন তেলাওয়াত শিখেন, তেমনি সন্তানদের শিখান।
অনেকে আবার সন্তানদের পবিত্র কোরআনের হাফেজ বানান।
শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের আনাচে-কানাচে রয়েছে লাখ লাখ কোরআনে হাফেজ।
বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী কোরআনের হাফেজ হচ্ছে। অবাক করার মতো বিষয় হলো, বিপুল সংখ্যক কোরআনের হাফেজদের নির্দিষ্ট কোনো বয়স নেই।
কেউ বুড়ো বয়সে, কেউ কিশোর বয়সে, কেউ আবার শিশু অবস্থায় কোরআন মুখস্থ করছেন। অন্ধ, নারী এমনকি শুধু শুনে শুনে কোরআন মুখস্থ করার নজির রয়েছে।
পবিত্র কোরআন মুখস্থ করার যেমেন নির্দিষ্ট কোনো বয়স নেই, তেমনি দিনে কিংবা মাসে কে কতটুকু মুখস্থ করবে তারও বিধি-নিষেধ নেই। এভাবেই বাংলাদেশে অল্প বয়সে, কম সময়ে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হচ্ছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় আমার এক মাত্র বাগিনা সালমান পরীক্ষার সকল সদস্যদের মধ্যে প্রথমে পাশ করেন (৮) মাসে পুরো কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হওয়ার অনন্য গৌরব অর্জন করে। উস্তাদসহ অত্র প্রতিষ্ঠানের সুনাম হউক এবং সকল ছাত্রদের সুন্দর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।
সালমানের বাবা মৃত্যু বরণ করেছেন আরো দুই বছর আগে এ ছোট মাসুম বাচ্চার কোরআনের হাফেজের বাবার জন্য সকল দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন।
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com