

মোহাম্মদ ইউনুছ অভি টেকনাফ
টেকনাফ উপজেলার পশ্চিম বঙ্গোপসাগর অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। সাগরে মাছ শিকার ৬৫ দিনের বন্ধ হলেও মালেশিয়ার মানব পাচার বন্ধ হয়নি। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চলছে মানব পাচার। গত ১৬/১৭ জুন দুই দিনে সগরে পুরুষ-মহিলার ৬টি অর্ধ গলিত লাশ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একজন মহিলার লাশে দুইটি নাম্বার পাওয়া গেছে। যে নাম্বারে মালেশিয়ার এক দালাল মোবাইল রিসিভ করেছে বলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন জানান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহার ছড়া, সাবরাং ও সদর ইউনিয়নের স্থানীয় দালাল ও রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের মানব পাচারের দালালগণ যৌথভাবে দিনের বেলায় মালেশিয়ায় যাবার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন শরণার্থী শিবির থেকে নারী পুরুষ সংগ্রহ করে ছোট ছোট গাড়ী যোগে সমুদ্র সৈকতের প্বার্শবর্তী স্থানগুলোতে জড়ো করে রাখে। সন্ধ্যা হওয়ার সাথে সাথে ৩টি ইউনিয়নের ফিশিং ঘাটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সাথে চুক্তি করে, মাছ ধরার ছোট ছোট ফিশিং বোটের মাধ্যমে গভীর সাগরে অবস্থানরত থ্যাইল্যান্ড এর বোটে উঠিয়ে দিয়ে আসে। প্রতিজন বড় বোটে উঠিয়ে দিয়ে দালাল থেকে ফিশিং বোটের মাঝিরা দশ হাজার টাকা করে নিয়ে নেয়। এইভাবে সাগর দিয়ে প্রতিনিয়ত অঘোষিত ভাবে মানব পাচার চলছে। সূত্রে আরো জানাই ফিশিং বোটের মাঝিরা টাকার লোভে অতিরিক্ত লোকজন নিয়ে গেলে কোন কোন সময় বোট ডুবে যায় এবং যাত্রীদের সলিল সমাধি ঘটে। ফলে লাশ গুলো সাগরে ভাসতে থাকে। এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া একান্ত জরুরি বলে স্থানীয় সচেতন মহল জানান।
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com