

সরকারি চাকরির দাবিতে আমরণ অনশনে বসা মোঃ মিজান শেখ নামের এক যুবক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সে পিরোজপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের মুক্তারকাঠী এলাকার মৃত আব্দুল জব্বার শেখের পুত্র। জানা যায়, মিজান শেখ ৫ ভাই ৩ বোনের মধ্যে তিনি ৫ম। মিজান শেখ বৃদ্ধ মাকে নিয়ে বসবাস করেন। মিজানের পিতা পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ দপ্তরি হিসেবে চাকরি করতেন। অবসরে যাবার আগে থেকেই মিজান শেখ পিতার হয়ে দীর্ঘদিন বিনা বেতনে কাজ করে আসছিল। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ডিউটি করে তার বিনিময়ে কিছু অর্থ প্রদান করেছে। কিন্ত মাসিক কোন বেতন প্রদান করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। গত সোমবার পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত সরকারি চাকরির দাবিতে এ অনশন করেণ। এসময় রাত ৮ টার দিকে এ যুবকে চাকরির আশ^াস দিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খান। অনশনে বসে মোঃ মিজান শেখ নামের ওই যুবক অসুস্থ হয়ে পরলে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার (৪ ফেব্রæয়ারি) বিকেলে চিকিৎসারত অবস্থায় ভুক্তভোগী মোঃ মিজান শেখ বলেন, বিদ্যালয়ের সুরক্ষার ব্যাপারে ভূমিকা পালনসহ ডিউটি করে আমি কর্মরত থাকা অবস্থায় অনেক কষ্ঠ করে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত পিতার চিকিৎসা করেও পিতাকে আর বাচাঁতে পারি নাই। সে বৃদ্ধ মাকে দেখাশোনা করেন। সে আরও বলেন আমাদের কোনো কৃষিজমি নেই। মাত্র ৩ শতক জমির ওপর আমাদের বাড়ি। ভাইবোনদের সামান্য বেতনে কোন রকমের খেয়ে না খেয়ে দিন চলে। চাকরি না হলে আমাকে অমানবিক জীবনযাপন করতে হবে। তাই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অনশনরত অবস্থাই অসুস্থ হই। পরে রাত ৮ টায় জেলা প্রশাসক মহোদয় আমাকে বুঝিয়ে চাকরির আশ^াস দিয়ে অনশন ভাঙ্গান। মোঃ মিজান শেখ বলেন, পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় হতে আমাকে অবৈধভাবে নৈশ প্রহরী পদ থেকে বাদ দেয়ার কারনে বেকার অবস্থায় মানবেতর জীবন-যাপন করছি। তাই আমি আমার কর্ম ফেরত পাওয়ার জন্য আমরন অনশন করি। তিনি তার যোগ্যতা অনুয়ায়ী সরকারের কাছে চাকরির দাবি জানান।
প্রধান কার্যালয়ঃ মহা সি.এন.জি ভবন সংলগ্ন (৪র্থ তলা), ঢাকা- ময়মনসিংহ রোড, মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
মোবাইলঃ ০১৫৩১-১৭২৭৫০ , ইমেইলঃ dbhorerpatrika.com
ওয়েবসাইটঃ www.bhorerpatrika.com বিজ্ঞাপনঃ ০১৩০৫-৯৫০৬২৫ ইমেইলঃ info@bhorerpatrika.com