চট্টগ্রাম বইমেলায় সাড়া ফেলেছে জয়নুল টিটো’র ‘হানিসাকার ও পয়েন্ট ওয়াই’

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ২ years ago

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

গল্পে যদি থাকে জীবনের কথা, লেখকের লেখনি জুড়ে যদি থাকে সাধারণ মানুষের জীবনে ঘটে যাওয়া নানা বাস্তব কাহিনী। তবেই হয়তো সাড়া ফেলে গল্প-উপন্যাসের বই।

এমনই কিছু কাহিনী নিয়ে লেখা জয়নুল টিটো’র এবারের ‘হানিসাকার ও পয়েন্ট ওয়াই’ চট্টগ্রাম বইমেলায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

‘হানিসাকার’ গল্পের বইটি পাওয়া যাচ্ছে সিআরবি শিরিষতলার কথা প্রকাশন ও ‘পয়েন্ট ওয়াই’ বইটি মিলছে চন্দ্রবিন্দু প্রকাশনে (মঈন ফারুক)।

‘হানিসাকার’ হার্ডকভার ১১৮ পৃষ্ঠার বইটির মূল্য ৩০০ টাকা। এছাড়াও থ্রিলার উপন্যাস ‘পয়েন্ট ওয়াই’  থ্রিলার উপন্যাসটির হার্ডকভার ১৪৪ পৃষ্ঠার বইটির মূল্য ৩৭৫ টাকা। লেখকের অটোগ্রাফসহ মেলায় ২৫ % ছাড়।

‘পয়েন্ট ওয়াই’ মূলত জঙ্গিবাদের ভুল মতবাদের উপর উপজীব্য করে লেখা থ্রিলার ধাঁচের উপন্যাস। এটি লেখকের প্রথম উপন্যাস হলেও পাঠকদের বুঝার অন্ত নেই! উপন্যাস লেখনিতে লেখক নতুন।

জানা যায়, সাহিত্য জগতে জয়নুল টিটোর এ পর্যন্ত পাঁচটি বই প্রকাশিত হয়েছে। যার মধ্যে তিনটি গল্পের বই, একটি থ্রিলার উপন্যাস ও একটি যৌথ কাব্যগ্রন্থ। 

অতীতে অক্ষরবৃত্ত থেকে প্রকাশিত বই ‘বিউটি বোনে লাল পিঁপড়া (গল্প গ্রন্থ-২০২১), লেখক ও হুমায়রা খানম এর ‘সুখ গেছে বনবাসে, স্বপ্নরা নীল ঘুমে (যৌথ কাব্য-২০২২), খয়েরি কৌটোয় নীল বোতাম (গল্পগ্রন্থ-২০২২)। বইগুলো বেশ জনপ্রিয়তা পাওয়ায় একাধিকবার মুদ্রণ ও মেলায় বেস্ট সেলার হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন।

হানিসাকার সম্পর্কে চট্টগ্রামের আর.এস. এম নিজাম উদ্দিন নামক এক পাঠক বলেন, ‘বইটি পড়ে অন্যান্য পাঠকের মতো আমিও অভিভূত। বইটি পাঠককে আকৃষ্ট করতে পারবে। তাতে কোন সন্দেহ নেই। কেননা, হানিসাকার বইটিতে আটটি গল্প রয়েছে।

একেকটি গল্প একেক রঙে পাঠকের মনে দোলা দেবে। বিশেষ করে লেখকের শব্দ চয়নটা অসাধারণ। গেরামের মানুষও সহজে পড়তে পারবে। একজন লেখক তখনই স্বার্থক হয়। যখন তাঁর বই একটি বিশেষ শ্রেণিকে ভেদ করে একদম সাধারণ পাঠকের মনিকৌটায় জায়গা করে নেয়।’

আরেক পাঠক সংবাদকর্মী জে. জাহেদ বলেন, ‘তুমি নদীর কাছে পৌঁছে সমুদ্রের ঢেউয়ের মতন শব্দকে আশা করতে পারবে না। কিন্তু লেখক জয়নুল টিটোর বই পড়ে তুমি পাশের বাড়ির কাহিনী পাবে। যেন কিছুদিন আগেই ঘটেছে সে ঘটনা। যাঁর রেশ এখনো চলমান। এমন নিখুঁত শব্দ বিন্যাসে ফুটিয়ে তোলেছেন লেখকের গল্প উপন্যাস।’

কথা হলে লেখক জয়নুল টিটো বলেন, ‘মনের আনন্দ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে লেখালেখি করি। পাঠক অল্প সময়ে আমার লেখা পছন্দ করে তাঁদের হৃদয়ে জায়গা দিয়েছেন। তাতেই ধন্য। আমি চাই দেশের লেখক ও প্রকাশকদের মাঝে একটি স্বচ্ছ, সুন্দর সেতুবন্ধন অটুট থাকুক।’

প্রসঙ্গত, লেখক জয়নুল টিটো বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আটাত্তরে জন্ম। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের কুমিরায়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করেছেন রাজনীতি বিজ্ঞানে। পেশায় সরকারি চাকুরে। বিসিএস কর্মকর্তা। বর্তমানে পদোন্নতি পেয়ে হয়েছেন পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি।

লেখালেখির অভ্যেস কৈশোরকাল থেকে। গল্প, কবিতা, ফিচার ছেপেছে স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে। করেছেন যুক্ত সাংবাদিকতাও। লেখালেখিতে তিনি চন্দ্ৰমণি সাহিত্য পদক-২০২১ অর্জন করেছেন।

সারাদেশ এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
আপনার দেওয়া তথ্যগুলো অত্যন্ত চমৎকার এবং গোছানো। প্রথম আলোর স্টাইলে এই সংবাদটি কীভাবে আরও পেশাদার রূপ পেতে পারে, তার একটি খসড়া নিচে দেওয়া হলো। আপনি এটি আপনার নিউজের চূড়ান্ত রূপ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন: রামগঞ্জ পৌরসভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনা: নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে জোর রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) | নিজস্ব প্রতিবেদক লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের লক্ষ্যে এক উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে পৌরসভা সভাকক্ষে আয়োজিত এই সভায় পৌর এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় সুধীজন ও জনপ্রতিনিধিদের মতামত গ্রহণ করা হয়। পৌর প্রশাসক কাজী আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং পৌর প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাকির হোসেন হেলালের সঞ্চালনায় সভায় বক্তারা আগামী অর্থবছরের বাজেটকে জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনা সভায় পৌর এলাকার সড়কগুলোতে পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা নিশ্চিতকরণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া যানজট নিরসন, রাস্তাঘাট সংস্কার, পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে রিকশাচালকদের তালিকাভুক্ত করার প্রস্তাব দেন অংশগ্রহণকারীরা। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম পিন্টু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন পলাশ, সাবেক সদস্য সচিব মিয়া আলমগীর, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, হিসাবরক্ষক মো. ইব্রাহিম মিয়া, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা প্রাণগোপাল দাস। সংবাদকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের ও সহ-সভাপতি জাকির হোসেন পাটোয়ারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বক্তারা বলেন, নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং রামগঞ্জ পৌরসভার আধুনিকায়নে এবারের বাজেট যেন বাস্তবসম্মত হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। জনগণের চাহিদা ও প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দেন পৌর প্রশাসক। সংবাদটি আরও উন্নত করার জন্য কিছু ছোট টিপস: * ছবি যুক্ত করা: আপনি যদি এই নিউজের সাথে ছবি যুক্ত করেন, তবে ছবির নিচে একটি ক্যাপশন দেবেন। যেমন: মঙ্গলবার রামগঞ্জ পৌরসভা কার্যালয়ে আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন পৌর প্রশাসক কাজী আতিকুর রহমান। * বিশেষ কোনো মন্তব্য: যদি আলোচকদের মধ্যে কেউ সড়ক সংস্কার বা নির্দিষ্ট কোনো সমস্যা নিয়ে বিশেষভাবে ক্ষোভ প্রকাশ বা প্রস্তাব দিয়ে থাকেন, তবে সেই উদ্ধৃতিটি (Quote) সরাসরি ব্যবহার করলে সংবাদটি আরও প্রাণবন্ত হবে। আপনার এই প্রতিবেদনটি কি কোনো পত্রিকায় বা ফেসবুকে প্রকাশের জন্য তৈরি করছেন? সে অনুযায়ী চাইলে আমি আরও কিছুটা কাটছাঁট করে দিতে পারি।
৭ দিন আগে