সাবরাং ইউনিয়ন, শাহ পরীরদ্বীপ ট্রানজিট ঘাট

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোরের পত্রিকা
প্রকাশ: ৩ years ago

মোহাম্মদ ইউনুছ অভি, টেকনাফ প্রতিনিধি :

সাবরাং ইউনিয়ন,শাহপরীরদ্বীপ ট্রানজিট ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনে অল্প সময়ে সেন্টমাটিনে পৌছানো সম্ভব হলেও অবহেলিত শাহ পরীর দ্বীপ জিটি।

অবেহেলীত শাহপরীর দ্বীপে জিটি সুদৃস্টিতে থাকান নইতু দিন দিন ব্যাকার সমস্যা, মাদকাশক্ত ও যুব সমাজ ধংসের পথে ধাবীত হচ্ছে। শাহপরীর দ্বীপের এমন পরিস্তিতি হলে আর বেশি দিন লাগবে না আন্তহত্যা,খুনি, ও খারাপ কাজের সারি গুণতে।শাহপরীর দ্বীপে ৪০হাজার মানুষের প্রধান পেশা মাছ শিকার। আজ প্রায় সাত বছর ধরে ইয়াবার থকমা লাগিয়ে নাফ নদীতে মাছ ধরা বন্ধ। যে নদীতে মাছ শিকারে হাজার হাজার পরিবার চলত দ্বীপের।চলিত দুই বছর ধরে কোন এক কুচত্রুে সিন্টিকেটে মায়ানমার থেকে গরু আনা বন্ধ, যে গরুর ব্যবসায় দ্বীপে হাজার হাজার গরিব পরিবার জড়িত। এই দিকে দেখি লবণান্ত কিছু ফসলী জমি আছে তাও কয়েক বছর বেড়িবাধ ভাঙ্গার কারণে লবণের পানি ডুকায় চাষাবাদের উপযোগী না হওয়াই লবণ চাষ করতে হচ্ছে। ঐ লবন চাষে যারা কাজ করে তারা কেও স্হানীয় নই সব বাহিরের। মাঝে মাঝে বঙ্গোবসাগরে মাছ ধরার অনুমতি থাকলেও ৬৫দিন আর ইলিশের মৌসুমে ২৩দিন বন্ধে জেলে দের কত আহাজারী তা একমাত্র দ্বীপে যারা আছে তারায় জানে।শুন লাম কয়েক দিন আগে টেকনাফ থেকে নাকি জাহাজ যাবে না সেন্টমাটিন।তাহলে সময়ের সলফতার কথা চিন্তা করে শাহপরীর দ্বীপ থেকে জাহাজ চলাচলের ব্যবস্তাহ করলে দুই দ্বীপ বাসী অনেক লাহবান হবে। বর্তমানে শাহপরীর দ্বীপে যাতায়াত ব্যবস্হান অনেক ভালো ।

টেকনাফ ও কক্সবাজার থেকে সেন্টমাটিন জাহাজ চলাচলে যাত্রীদের প্রচুর সময় লাগে এমনকি যাত্রীরা অসুস্হ হয়ে পড়ে। তাই সারবিক দিক চিন্তা করে সাবরাং ইউনিয়ন,শাহপরীরদ্বীপ ট্রানজিট ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনে জাহাজ গেলে পর্যটকদের জন্য সুবিধা হবে।এবং দ্বীপের বেকার যৌবকেরা কিছুটা রেহায় পাবে।সাময়িক বিবেচনা করে শাহপরীর দ্বীপ টু সেন্টমাটিন জাহাজ চলাচলে ব্যবস্তাহ করার জন্য জোর দাবি জানান দ্বীপে জনগন।