
মোঃ হাছানুর জামান ভূঁইয়া,নিজস্ব প্রতিবেদক:
লক্ষ্মীপুর-১ রামগঞ্জ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সামনে রেখে উপজেলা আওয়াামীলীগের তৃণমুলে নেতাকমীরা সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও লক্ষীপুর জেলা আ‘লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সফিকুল ইসলামকে নিয়ে আলোচনা মুখোরিত। স্বার্থান্বেষী ব্যক্তির কারনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হতে না পারলেও জনমত জরিফে শীর্ষে থাকায় এই নেতাকে আগামী নির্বাচনে নৌকার মাঝি করতে পারে এমন বিশ্বাস সর্বস্তরে।
১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত আসনের আওতাধীন এলাকাগুলোয় সরেজমিনে ঘুরে তৃণমূলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে এমন আভাস পাওয়া গেছে। জননেতা হিসেবে সফিকুল ইসলামকেই আগামী নির্বাচনে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখতে চান তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের তৃণমূলকে দীর্ঘদিন ধরেই এক ছাতার নিচে একত্রিত করে দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ডের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এমনকি পুরো রামগঞ্জ জুড়েই বিভিন্ন সময়ে দলীয়, সামাজিক এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পোস্টার ব্যানারে শুধু চোখের পড়ার মতোই দেখা গেছে।
এ ছাড়া সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম দলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও তার সরব উপস্থিতি রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সফিকুল ইসলাম।
রামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকরা কালীন সময়ে গণমুখী চরিত্র নিয়ে কাজ করছেন সফিকুল ইসলাম। ওই সময়ে অপরাধ দমনে নানমুখি পদক্ষেপ এবং সরকারী উন্নয়নমূলক সকল কর্মসূচি সমহারে বন্টন করেছেন। দলমত নির্বিশেষে তার কাছে সবাই যেতে পারতেন। যেই কোন প্রয়োজনে যেই কোন সময়ে তার কাছে গিয়ে কেউ কোনোদিন খালি হাতে ফিরে আসেনি।
এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, রামগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের এবং দলকে বিগতদিনগুলো উজ্জ্বীবিত রেখেছেন ।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের দুর্দিনে কান্ডারী,ত্যাগীনেতা, রাজপথ কাপানো মুজিব আদর্শের একনিষ্ঠ সৈনিক,সতাবাদী নীতিবান নেতা হিসেবে শুধু দলের নয় সাধারন মানুষের হৃদয়ে জুড়ে রয়েছে সফিকুল ইসলাম। শুধু রামগঞ্জ উপজেলা নয় লক্ষীপুর জেলা জুড়ে রয়েছে সফিকুল ইসলামের জনপ্রীয়তা। তার বাস্তব প্রমান ২০২২ সালে নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত জেলা আ‘লীগের সম্মেলন। সম্মেলন মাঠে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে ৯০% নেতা-কর্মীরা সফিকুল ইসলামের নামে ¯স্লোগান দিয়ে প্রমান করেছেন জেলার জনপ্রীতার শীর্ষস্থনে রয়েছে। ওই সম্মেলনে স্বার্থন্বেষী ব্যক্তির কারনে সফিকুল ইসলাম সভাপতি হতে পারেননি। তৃণমূলের জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে মনোনয়ন দেয়া হলে লক্ষ্মীপুর -১ রামগঞ্জ আসনে সফিকুল ইসলামকেই মনোনয়ন দেয়া উচিত বলে মনে করছেন সমর্থকরা।
