
মোঃ শফিক তপাদার, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চাঁদপুর সদর উপজেলার ৯ নং বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ইউপি সদস্য জাহিদ ইসলাম খান চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ আটক করে নিয়ে আসেন।
সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রার্থীদের সংহিতায় সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়েরকৃত মামলায় চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ ৯ নং বালিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জাহিদ ইসলাম খানকে আটক করেছে।
জানা যায়, গত বছরের ১১ নভেম্বর চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দিন ৭৬ নং উত্তর বালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অগ্রণী ব্যাংক চাঁদপুরের সিনিয়র অফিসার মোঃ আলমগীর তপাদার। ঐ দিন সকাল ১১ টার দিকে ফুটবল মার্কার মেম্বার প্রার্থী জাহিদ ইসলাম খানের নেতৃত্বে ৮০/৯০ জন সমর্থক প্রতিদ্বন্দ্বী মুরগী মার্কার সমর্থকদের উপর হামলা করে বেআইনি জনতা বদ্ধ হয়ে সরকারি ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে।
এসময় প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার গন বাধা প্রদান করলে দায়িত্ব পালন কারী কর্মকর্তাদের সাথে মারমুখী আচরণ করে। পরে আইন শৃংখলা বাহিনী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে তারা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে ব্যাপাক সংঘর্ষে ও হামলার ঘটনা ঘটে এবং ভাংচুর হয়। এতে সরকারি কাজে বাধা প্রদান করা হয়।
শুধু তাই নয়, কর্মকর্তাদের উপর হামলা করে ব্যালট পেপার ও বাক্স ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে ১৩৪/১৮৬/৩৩২/৩৫৩/৩৪ ধারা মোতাবেক সরাসরি সরকারি কাজে বাধা ও সরকারি মালামাল ক্ষতি সাধনের অভিযোগ এনে দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার আলমগীর তপাদার বাদী হয়ে চাঁদপুর মডেল থানায় মামলা রুজু করা হয়।
উক্ত মামলার নামীয় আসামি হিসেবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদপুর সদর মডেল থানার ইন্সপেক্টর ইনটেলিজেন্স এন্ড অপারেশন এনামুল হক চৌধুরী ৩০ মে সোমবার দুপুরে নিজ এলাকা থেকে সঙ্গীয় ফোর্স সহ আটক করে থানায় নিয়ে কোর্টে প্রেরণ করা হয়।
আদালত আসামী জাহিদ ইসলাম খান কে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জাহিদ ইসলাম খান পুলিশ চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্নগোপনে থাকতো।
উক্ত জাহিদ ইসলাম মেম্বারের বিরুদ্ধে এলাকা বাসীর ব্যাপাক অভিযোগ রয়েছে।
